Snake in School স্কুলের গেট খুলতেই চক্ষু চরকগাছ। স্কুলের শৌচাগারে আস্ত চন্দ্রবোড়া। তবে বিপদ হয় নি পড়ুয়া বা শিক্ষক, শিক্ষিকাদের। স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বুদ্ধিতে মিলল সমাধান।
Snake in School বৃহস্পতিবার এমনই কান্ড ঘটে মুর্শিদাবাদের সাগরপাড়া থানার গোদাগাড়ী জুনিয়র হাই স্কুলে GODAGARI JR. HIGH SCHOOL। স্কুলে ঢুকে বাথরুমের তালা খুলতে যাওয়ার সময়েই দেখা যায় প্রায় ৬ ফুট লম্বা সাপটিকে।

Snake in School তবে ভয় পেলেও আতঙ্কিত হন নি শিক্ষক শিক্ষিকারা। দ্রুত স্থানীয় সর্পমিত্রর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অভিজিৎ বিশ্বাস। তবে পাওয়া যাচ্ছিল না ফোন নম্বর।
Snake in School কীভাবে হল সমাধান ?
দমেন নি তিনি। সরাসরি ফোন করে দেন রাজ্য বন দপ্তরে। ফোনে হয় কাজ। বন দপ্তরের চিফ সেক্রেটারি জেলা ও ব্লক স্তরের আধিকারিকদের ফোন নম্বর দেন ওই শিক্ষককে। অবশেষে জলঙ্গী ব্লকের সর্পমিত্রর সঙ্গে ফোনে হয় কথা। প্রায় তিনটে কুড়ি নাগাদ উদ্ধার করা হয় সাপটিকে।

Snake in School গোদাগাড়ী জুনিয়র হাইস্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অভিজিৎ বিশ্বাস বলেন, “ আমরা আতঙ্কিত ছিলাম । তবে আমরা আতঙ্কিত হয়ে বিভ্রান্ত হইনি। আতঙ্ক একটা ছিলই। কিন্তু আমরা খুব কৌশগতভাবে সেটিকে চোখে চোখে রেখেছিলাম । যতক্ষণ বন দপ্তরের লোক না এসেছে ততক্ষণ আমরা কোন রকম নিজের থেকে উদ্যোগ নিতে চেষ্টা করিনি” ।

এতে রক্ষা পেয়েছে সাপ । অন্যদিকে পড়ুয়া বা শিক্ষক শিক্ষিকা কারো কোন ক্ষতিই হয় নি।
আরও পড়ুনঃ হুমায়ুনের ছেলের বিরুদ্ধে জুতসই মুখ খুঁজছেন বিপক্ষরা
















