MCET মঙ্গলবার জেলা পরিষদের উন্নয়ন নিয়ে ডাকা বৈঠকে বিস্ফোরক বহরমপুরের বিধায়ক সুব্রত মৈত্র ( Subrata Maitra) । জেলা পরিষদের অধীনে থাকা একের পর এক সংস্থার হাল হকিকত নিয়ে প্রশ্ন তুললেন সুব্রত মৈত্র। বিধায়কের অভিযোগ মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের নিয়ন্ত্রণে থাকা MCET কলেজ বন্ধের পথে। ওই কলেজ কার্যত চালাতে ব্যর্থ মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদ জেলা পরিষদ। অধ্যাপক অধ্যাপিকা ও পড়ুয়াদের সম্মান ফেরাতে সোচ্চার হলেন বহরমপুরের বিধায়ক সুব্রত মৈত্র। মঙ্গলবার জেলা প্রশাসনিক ভবনে জেলা পরিষদের উন্নয়ন নিয়ে বিশেষ সভার আয়োজন করা হয়। সেই
MCET থেকে RN Tagore: কী দাবী বিধায়কের ?

MCET সভা থেকে বেড়িয়ে বিধায়ক সুব্রত মৈত্র জানান, “এমসিইটি কলেজ দীর্ঘদিন ধরে অব্যবস্থা চলছে কলেজের অধ্যাপকদের মাইনে দেওয়া হয় না। কিছুজনকে রেজিস্ট্রার মন মতো মাইনে দেন। কলেজটির মধ্যে পড়াশোনার পাঠ চুকে গেছে। অধিকাংশ যায়গায় ঝোপ ঝাড়ে পরিণত হয়েছে। জেলা পরিষদের অধীনে ছিল এই কলেজ” । সমাধানের দাবিও জানিয়েছেন বিধায়ক। বলেছেন, “ জেলা পরিষদ ব্যর্থ হয় তাহলে সরকারের হাতে দিয়ে দেওয়া হোক। যাঁরা অধ্যাপনা করেন তাদের সম্মান ফিরিয়ে দেওয়া হোক। ছাত্র ছাত্রীদের সম্মান ফিরিয়ে দেওয়া হোক”।

আরএন টেগোর হাসপাতাল নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিধায়ক সুব্রত মৈত্র। তিনি বলেন, “ আমার এই বিধানসভার অধীনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ডায়গনেস্টিক যে হাসপাতাল আছে দীর্ঘদিন ধরে এই হাসপাতাল তাচ্ছিলের মধ্যে পড়ে আছে। কোর্টের জটিলতার কারনে এই নার্সিংহোমটি বন্ধ হয়ে আছে । যা পরিকাঠামো আছে সব নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দ্রুত যাতে এটিকে খোলা যায় তার জন্য আমি আজকে বললাম”।
আরও পড়ুনঃ Berhampore Land বহরমপুরের সরকারি জমিতে হচ্ছে টা কী ! মৌচাকে ঢিল কাঞ্চনের
MCET মঙ্গলবার জেলা পরিষদের সভাধিপতি রুবিয়া সুলতানা, অতিরিক্ত জেলা শাসক জেলা পরিষদ পিনাকি রঞ্জন প্রধানের সামনে এই দাবি তুলে ধরেন বহরমপুরের বিধায়ক। এখন দেখার MCET ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ডায়্যাগনস্টিক অ্যান্ড মেডিক্যাল কেয়ার সেন্টারের হাল কবে ফেরে। বি










