Berhampore Municipality বহরমপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিলেন নাড়ুগোপাল মুখার্জি। আর তার পরপরই বহরমপুর পৌরসভার দুর্নীতি তদন্তে ২০০৮ থেকে বিশেষ অডিটের দাবি জানালেন বহরমপুরের বিজেপি বিধায়ক সুব্রত মৈত্র SUBRATA MAITRA (KANCHAN) । পৌর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালকে লিখলেন চিঠিও। শুধু তৃণমূল জমানা নয়। বাদ দিলেন না অধীর জমানাকেও।
Berhampore Municipality দুর্নীতির শিকড় উপড়ে ফেলার ডাক সুব্রত
Berhampore Municipality সেই চিঠি পোস্ট করে সোস্যাল মিডিয়ায় বহরমপুরের বিধায়ক সুব্রত মৈত্র লিখেছেন, “ ছাড় কেউ পাবে না নিশ্চিত থাকুন, দুর্নীতির শিকড়টা একদম গোড়া থেকে তুলে ফেলার যাবতীয় বন্দোবস্ত করার চেষ্টাই করে চলেছি। আজ বিধানসভা অধিবেশনের প্রথম দিনই সেই কাজটা এগিয়ে রাখলাম। আরো অনেক কিছু দেখতে পাবেন একটু অপেক্ষা করুন” । রাজনৈতিক মহলের দাবি, দুর্নীতির শিকড় কথার অন্য অর্থ রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ Narugopal Mukherjee পদত্যাগ করলেন বহরমপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান নাড়ুগোপাল মুখার্জী
Berhampore Municipality ১৯৮৬ সাল থেকে ২০১৬ সাল অবধি এই বহরমপুর পৌরসভা একটানা কংগ্রেসের দখলে ছিল । সেই সময় কার্যত বহরমপুরের তৎকালীন সাংসদ অধীর চৌধুরীর অঙ্গুলিহেলনেই চলত পৌরসভা। বহরমপুর পুরসভায় ২০০২ সাল থেকে ২০১৮ অবধি চেয়ারম্যান ছিলেন নীল রতন আঢ্য। প্রথমে কংগ্রেসে থাকলেও ২০১৬ সালে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন নীল রতন আঢ্য। সেই সময়ই পৌরসভার দখল যায় তৃণমূলের হাতে। পৌরসভার মেয়াদ শেষ হলে ২০১৮ ডিসেম্বর মাসের পর থেকে এসডিও (সদর) পুর প্রশাসকের পদে বসেন।
২০২২ সালে পৌরসভা ভোট হলে ভোটে জিতে পৌরসভা দখল করে তৃণমূল। কাজেই ২০০৮ থেকে তদন্ত চেয়ে অধীর জমানায় চলা পৌরসভা নিয়েও তদন্তের দাবি স্পষ্ট করেছেন সুব্রত মৈত্র। বিধায়ক ঘনিষ্টদের বক্তব্য, এক সময় অধীর চৌধুরীর অনুগামী পৌরবোর্ডের কাজকর্মে বিরক্ত হয়েই কংগ্রেস ছেড়েছিলেন সুব্রত মৈত্র। বড় সময় পৌরসভামুখোও হন নি। এবার সুযোগ আসায় পৌরসভা নিয়ে সার্বিক তদন্ত চাইছেন বিধায়ক।















