এখন খবরমধ্যবঙ্গ নিউজপরিবেশবিনোদনহেলথ ওয়াচখেলাঘরে বাইরেলাইফস্টাইলঅন্যান্য

Suvendu Adhikari ব্রিগেড থেকে জোড়াসাঁকো, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর প্রথম বার্তা কী ?

Published on: May 9, 2026
Suvendu Adhikari

Suvendu Adhikari  রবীন্দ্র জয়ন্তীর আবহে শনিবার বাংলার রাজনৈতিক মঞ্চে তৈরি হল এক নতুন ইতিহাস। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডের বিশাল জনসমাবেশের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তবে রাজনৈতিক আনুষ্ঠানিকতার পরেই তাঁর প্রথম গন্তব্য হয়ে উঠল জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি। আর সেখান থেকেই উঠে এল এক ভিন্ন রাজনৈতিক বার্তা।

Suvendu Adhikari  শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী Narendra Modi ও অন্যান্য শীর্ষ নেতাদের শুভেচ্ছা গ্রহণ করে শুভেন্দু সরাসরি পৌঁছে যান বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত জোড়াসাঁকোয়। সেখানে কবিগুরুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, ““বাংলা ও বাঙালির সংস্কৃতির বিকাশ কবিগুরুর চেতনা ও ভাবনাতেই হবে। তারই আজকে শুভ সূচনা হল। রবি ঠাকুরকে প্রণাম জানিয়েই বাংলার দায়িত্বভার নিলাম।”

Suvendu Adhikari কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ? 

রাজনৈতিক উত্তাপের আবহে তাঁর সংযত মন্তব্য বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু বলেন, “আমি এখন মুখ্যমন্ত্রী। আমি এখন সকলের। আমি চাই শুভবুদ্ধির উদয় হোক।”  তাঁর এই বক্তব্যকে রাজনৈতিক মহল নতুন প্রশাসনিক বার্তা হিসেবেই দেখছে।

এবারের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বড় জয়ের পর থেকেই মুখ্যমন্ত্রী পদ নিয়ে জল্পনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত মেদিনীপুরের ভূমিপুত্র শুভেন্দু অধিকারীর হাতেই বাংলার প্রশাসনিক দায়িত্ব তুলে দেয় কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর — দুই গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে তৃণমূল নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শুভেন্দু নিজের রাজনৈতিক দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।

Suvendu Adhikari  শনিবার তাঁর সঙ্গে মন্ত্রিসভার প্রথম পাঁচ সদস্য হিসেবেও শপথ নেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, ক্ষুদিরাম টুডু এবং নিশীথ প্রামাণিক। রাজনৈতিক ভারসাম্য বজায় রেখেই এই প্রাথমিক মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়েছে বলে মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

আরও পড়ুনঃ Suvendu Adhikari মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ব্রিগেডে শপথ, উপস্থিত প্রধানমন্ত্রী

বিশেষজ্ঞদের মতে, রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিন শপথ অনুষ্ঠান আয়োজন এবং তার পরপরই জোড়াসাঁকো সফর — এই দুই পদক্ষেপের মাধ্যমে শুভেন্দু অধিকারী বাংলার সংস্কৃতি ও আবেগের সঙ্গে নিজেকে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করার বার্তা দিয়েছেন। আগামী দিনে তাঁর এই সংযত ও সাংস্কৃতিক ভাবমূর্তি রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now