Murshidabad Medical ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে ওপিডি, এমআরআই করানো থেকে সিটি স্ক্যান- দালালদের দাপটে অতিষ্ট মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসা করাতে আসা মানুষ। চিকিৎসা নিয়েও একাধিক অভিযোগ। এই সব নিয়েই মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসয়াপাতালের আধিকারিক থেকে চিকিৎসকদের সামনে বসিয়ে চরম হুঁশিয়ারি দিলেন বহরমপুরের বিধায়ক সুব্রত মৈত্র ।মঙ্গলবার হাসপাতাল কতৃপক্ষের সাথে বৈঠকে ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি । ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে হাসপাতালে দালাল চক্র ভাঙ্গতে কড়া হুঁশিয়ারিও দিলেন ।
মঙ্গলবার মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যান বিধায়ক সুব্রত মৈত্র। ঘুরে দেখেন হাসপাতালের পরিকাঠাম ও হাসপাতাল চত্বর। পরে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রিন্সিপাল ডাঃ অনাদি রায়চৌধুরী সহ অন্যান্য স্বাস্থ্য আধিকারিকদের সাথে বৈঠক করেন তিনি। ছিলেন চিকিৎসকরাও। হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরিকাঠামো আরও উন্নত করার পাশাপাশি হাসপাতালে দালালরাজ বন্ধ করতে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন সুব্রত মৈত্র।
Murshidabad Medical মেডিক্যাল নিয়ে কী অভিযোগ MLAর ?
এদিন বৈঠক শেষে বহরমপুরের বিধায়ক সুব্রত মৈত্র বলেন, “ হাসপাতালের OPDতে ছয় থেকে সাত জন দালাল থাকে। ইমারজেন্সিতে সব সময় ডাক্তাররা থাকেন না। বেশিরভাগ নার্সিং স্টাফ টেবিল ছেড়ে উঠতে চান না। কোন রোগীর প্রয়োজনে স্যালাইন পাল্টানোর দরকার পড়লে সেই কাজ অন্যজনদেরকে দিয়ে করানো হয়” ।
বিধায়ক আরও জানান, আউটডোর এবং যিনি অপারেশন করবেন, প্রত্যেক সপ্তাহের ডেট করে তাদের নামের তালিকা তুলে দিয়ে আসার জন্য বলা হলো। এছাড়াও ব্লাড ব্যাঙ্ক সহ MRI এবং CT স্ক্যানে প্রচুর দালাল রয়েছে। একজনের MRI করার জন্য দু’হাজার টাকা করে দালালরা নিচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ Murshidabad Medical Securityমুর্শিদাবাদ মেডিক্যালে নিরাপত্তায় জোর ?
তিনি কড়া সতর্কতা জারি করে বলেছেন, মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজে যে ক’জন ডাক্তার আছেন তারা যেন সপ্তাহের ছয়দিনই তাদের নির্দিষ্ট সময়ে হাসপাতালে উপস্থিত থাকেন। যিনি আউটডোর করবেন , সকাল ন’টা থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত তাঁর চেয়ারে যেন তিনি বসে থাকেন রোগীর সেবাদান করার জন্য।এনিয়ে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পিন্সিপাল ডাঃ অনাদি রায় চৌধুরী বলেন , আমাদের বিধায়ক সুব্রত মৈত্র হাসপাতাল ভিজিট করে গেলেন। উনি আমাদের কিছু দিশা দিয়েছেন যেগুলো এগুলো আমাদের করতে হবে। ইমিডিয়েটলি করতে হবে সেটা আমরা চেষ্টা করছি। দিন পনেরোর মধ্যেই পুর সমস্যা গুলো সমাধান করে ফেলার চেষ্টা করব। বিধায়কের হুঁশিয়ারির পর এখন দেখার মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে দালাল রাজ কবে বন্ধ হয়। কবে আরও ভালো চিকিৎসা পরিষেবা পায় সাধারণ মানুষ।










