Rejinagar Congress Candidate বিদ্যুৎ মৈত্রঃ চলতি বছর বিধায়ক নির্বাচনের ভোটে দাঁড়াতে না পারার স্বপ্ন অবশেষে সফল হল উপনির্বাচনে। রেজিনগর বিধানসভার উপনির্বাচনে কংগ্রেস আবদুল্লাহীল কাফিকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিল। আর অধীর চৌধুরীর তাস কাফিকে এআইসিসি প্রার্থী করায় পিছু হঠলেন শুভঙ্কর সরকার ও তাঁর গোষ্ঠী। যদিও জেলা কংগ্রেসের এক নেতার কথায়, “কাফি হালে কংগ্রেসে এসেছেন। তাঁকেই প্রার্থী করা হল।” হুমায়ুন কবীরের পুত্র গোলাম নবি আজাদ ওরফে রবিনের বিরুদ্ধে কংগ্রেস প্রার্থী কাফি জেলা পরিষদের কংগ্রেস সদস্য। একসময় লালগোলায় জেলা পরিষদের আর এক কংগ্রেস সদস্য তহিদূর রহমান সুমনের সঙ্গে জোট বেঁধে জেলা পরিষদে তৃণমূলের দুর্নীতি সামনে এনেছিলেন কাফি। বেলডাঙায় তাঁর প্রার্থী হওয়া একপ্রকার নিশ্চিত ছিল। কিন্তু শেষপর্যন্ত তা বাতিল হয়ে যায়। বেলডাঙায় কংগ্রেস প্রার্থী করে সাহারুদ্দিন শেখকে। তার হয়ে প্রচার করেন কাফি। জেলা কংগ্রেসের একাংশের দাবি, “ টাকার কাছে হেরে গিয়েছিলেন ওই নেতা।” এবার সেই কাফিই রেজিনগর বিধানসভায় কংগ্রেসের ট্রাম্প কার্ড।
Rejinagar Congress Candidate অধীর ও জাতীয় কংগ্রেসকে ধন্যবাদ কাফির
Rejinagar Congress Candidate এজেইউপি-র ঝড় মোকাবিলা করে রেজিনগরে কংগ্রেস মাত্র হাজার চারেক ভোট পেয়েছিল। এবার সেখানে কি ভাগ্যবদল হবে কংগ্রেসের ? অধীর ও জাতীয় কংগ্রেসকে ধন্যবাদ দিয়ে কাফি বলেন, “ আমরা ১০০% জিতব, ইনশাআল্লাহ।” কেন মানুষ আপনাদের ভোট দেবেন ? কাফির দাবি, “ আজকে তিন মাস নির্বাচন হওয়ার পরে রাজ্যে ডাবল ইঞ্জিন সরকারের যে কার্যকলাপ তাতে মানুষ বিরক্ত। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ও বিরক্ত, সংখ্যাগুরুও বিরক্ত। আর এই দল তো সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে কাজ করছে। কখনো শুক্রবারি, কখনো রেড রোড থেকে তাড়িয়ে দেওয়া, কখনো বা মাইক খুলে নেওয়া— এভাবে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে হেনস্থা করছে, বিভ্রান্ত করছে এবং তাদেরকে অত্যাচার করছে।” তিনি আরও বলেন, “সংখ্যাগুরু সম্প্রদায় যারা ভেবেছিল যে আমাদের ১৫০ টাকার ডাল ৩০ তেল ৩০ টাকায় দেবে, অন্নপূর্ণা ভান্ডার সবাই পাব, এরা সংখ্যাগুরুদের দল— তারাও আজকে অসন্তুষ্ট বিভিন্নভাবে। তাই তাঁরা আমাদের ভারতবর্ষের যে দল, জাতীয় দল, ভারতবর্ষের যারা স্বাধীনতা এনে দিয়েছে, ভারতবর্ষের যারা সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করেছে প্রাণ দিয়ে, সেই দলকে আবার ক্ষমতায় আনতে চাইছে। আমাদের ভরসা করতে চাইছেন।”
Rejinagar Congress Candidate কিন্তু ওই এলাকায় হুমায়ুন কবিরের মতো একজন নেতা আছেন, তাঁর প্রতি মানুষের একটা আবেগ আছে রেজিনগরের ভূমিপুত্র হিসেবে। তা কীভাবে মোকাবিলা করবেন? তাঁর রাজনৈতিক গুরুর সুরে সুর মিলিয়ে কাফি বলেন, “ রেজিনগরের হুমায়ুন আবেগ থাকলে তো হবে না যে, তাঁর কার্যকলাপটাও দেখতে হবে। আজকে মসজিদের নামে কোটি কোটি টাকা তুলেছে, তার কোনো হিসাব দেয়নি। মসজিদকে নিয়ে সে রাজনীতি করছে। মসজিদ রাজনীতি করার জায়গা না। সেখানে ধর্ম পরায়ণ মানুষের নামাজ পড়ার জায়গা। আর বিজেপি ভারতবর্ষের ক্ষমতায় এসেছে ২০১৪ সালে। সামনে বিভিন্ন রাজ্যে ভোট আছে। সংখ্যাগুরু সম্প্রদায় সেখানে আছে যাঁরা, তাঁদেরকে কী বোঝাবে? যে বাবরি মসজিদ তাদেরকে ক্ষমতায় এনেছে, আবার সেই বাবরি মসজিদ তাঁরা হতে দেবে ? ডেফিনেটলি না। তাই বাবরি মসজিদ বারেবারে সংখ্যালঘু মানুষ খাবে না।”













