Tulu Mondal Manager টুলু মণ্ডল মামলার তদন্তে ফের বড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। সামনে এসেছে টুলু মণ্ডলের ম্যানেজারের মুর্শিদাবাদ যোগ । এবার গ্রেপ্তার করা হয়েছে টুলু মণ্ডলের ক্রাশারের এক কর্মী সীতেশ প্রামাণিককে। রবিবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে সীতেশ প্রামাণিককে গ্রেপ্তার করে বীরভূম জেলা পুলিশ। সোমবার তাঁকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। জানা গিয়েছে তিনি মুর্শিদাবাদের সালার থানার এড়েরা গ্রামের বাসিন্দা ।
Tulu Mondal Manager কী বলছেন প্রতিবেশীরা ?
Tulu Mondal Manager সীতেশ প্রামাণিকের দাবি, তিনি গত প্রায় ১২ বছর ধরে বীরভূমের পাচামি এলাকায় টুলু মণ্ডলের ক্রাশারের সাপ্লাই অফিসে কাজ করছেন। তবে কেন তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না বলে দাবি করেছেন। এদিকে গ্রেপ্তারের খবর প্রকাশ্যে আসতেই এড়েরা গ্রামে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। প্রতিবেশী ছায়া দাস বলেন, “সীতেশ ভালো ছেলে। কেন ওকে ধরল, বলতে পারছি না।” তিনি আরও জানান, সীতেশের বাবাও দীর্ঘদিন পাথর কাটার কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
আরও পড়ুনঃ Cossimbazar Rajbari প্যালেস ডে’র হাত ধরে আন্তর্জাতিক পর্যটনের মানচিত্রে কাশিমবাজার রাজবাড়ি
অন্যদিকে, পাথর ব্যবসায়ী মহম্মদ নাজিবুদ্দিন ওরফে টুলু মণ্ডলকে ঘিরে তদন্ত ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে। তদন্তকারী সূত্রের দাবি, টুলু মণ্ডলের নামে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির খোঁজ মিলেছে। এর মধ্যে রয়েছে জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাট, পাথর খাদান, ফার্মহাউস এবং অন্যান্য সম্পদ।
Tulu Mondal Manager সূত্রের খবর, প্রায় ৪০০ বিঘার কাছাকাছি জমির তথ্য তদন্তকারীদের হাতে এসেছে। এছাড়াও, এখনও পর্যন্ত প্রায় ২২০ কোটি টাকার সম্পত্তি ফ্রিজ করা হয়েছে বলে তদন্ত-সংশ্লিষ্ট মহলে জানা গিয়েছে। যদিও এই তথ্যের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক বিবৃতি এখনও প্রকাশ করা হয়নি।পুলিশ ইতিমধ্যেই টুলু মণ্ডলের একাধিক আত্মীয় ও পরিচিতদের বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছে। সেই তদন্তের মধ্যেই ক্রাশারের এক কর্মীর গ্রেপ্তার নতুন করে এই মামলার গুরুত্ব বাড়িয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে আরও তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।










