Kavigan Workshop কখনও নানান প্রকল্পের প্রচার, কখনও সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ডাক। সামাজিক বার্তা দিকে দিকে ছড়িয়ে দেন তারা। সেই কবিয়ালদের কবিগানের কর্মশালা শুরু হল বহরমপুর শহরে। এবছরের কর্মশালা তিন দিনের। লোকসংস্কৃতি ও আদিবাসী সংস্কৃতি কেন্দ্রের আয়োজনে এবং মুর্শিদাবাদ জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের সহযোগিতায় কবিগানের কর্মশালা ও অনুষ্ঠান বহরমপুর রবীন্দ্রসদনে।
আরও পড়ুন- Arun Kumar Bandopadhay চলে গেলেন অরুণ কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, ছিলেন মানুষ গড়ার কারিগর
Kavigan Workshop বহরমপুরে কবিগানের কর্মশালা
Kavigan Workshop বহরমপুর Berhampore রবীন্দ্রসদনে বসল কবিগানের আসর। ঢোল বাজনা সানাইয়ের সাথে কবিয়ালদের লড়াই একসময়ে জমতে উঠত। বাংলা কাব্যের বিশেষ ধারা ছিল মনোরঞ্জনের অন্যতম উপাদান। বর্তমানে আবারও নতুন প্রজন্মের কাছে কবিগানকে আকর্ষণীয় করে তোলার মরিয়া চেষ্টা চলছে। গ্রাম বাংলার কবিগান ফিরছে গ্রামে গঞ্জে, শহরের কোন সাংস্কৃতিক মঞ্চে। লোকশিল্প এবং শিল্পীদের প্রশিক্ষন দেওয়া হচ্ছে। বহরমপুর শহরে এবছরও কবিগানের কর্মশালা তারই দৃষ্টান্ত।

Kavigan Workshop কবিগানের কর্মশালায় নতুনত্ব কী?
Kavigan Workshop নদীয়া থেকে বহরমপুরে এসে কবিয়াল কাঞ্চন মণ্ডল জানান, পঞ্চাশ বছর ধরে কবিগান করছেন। সংসারের দেখভালে চাষবাসের কাজও করেন। তিনিও এবছর অংশ নিয়েছেন কর্মশালায়। তাঁর কথায়, নতুন নতুন বিষয়ে আলোচনা হয়। প্রশিক্ষকরা নির্দেশ দেন। সেই মতো সুর, ছন্দ , প্রশ্নোত্তর প্রস্তুত করেন কবিয়ালরা। পরিচিতি ঘটে একে ওপরের সাথে। নতুন নতুন ভাবে ভাষা ছন্দের মাধ্যমে কারিগরি প্রশিক্ষনে শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার উৎসাহ মেলে।

Kavigan Workshop কবিয়াল ও প্রশিক্ষক -নির্মলেন্দু বিশ্বাসের আশঙ্কা , আগামী দিনে কবিগানের অস্তিত্ব থাকবে কিনা! তাঁর কথায়, দুর্বল হচ্ছে কবিগান। বাঁচিয়ে রাখার আপ্রাণ চেষ্টাও চলছে। পাশাপাশি আগে কবিগান সময়ের বেড়াজালে আবদ্ধ ছিল না। বর্তমানে আছে সময়সীমার মধ্যে। গানের মধ্যে নানান ভাবধারাতেও এসেছে পরিবর্তন।
Kavigan Workshop কর্মশালায় প্রশিক্ষন নেবেন ১০০ জন লোকশিল্পী
Kavigan Workshop মুর্শিদাবাদ ছাড়াও নদীয়া, বীরভূম, পূর্ব র্ধমান – জেলা থেকে ১০০ জন লোকশিল্পী ৩ দিনের এই কর্মশালায় অংশগ্রহন করবেন বলেজেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর সুূত্রে জানা গেছে । প্রথম দিনেই জমল আসর। দলে দলে অনুষ্ঠান মঞ্চে কবিয়ালদের হাতেকলমে শেখানো হল নানান আঙ্গিক। বহরমপুর মহকুমা তথ্য সংস্কৃতি আধিকারিক সুবীর সরকার জানান, প্রাচীনকালে প্রচলিত ছিল কবিগান। প্রায় হারিয়েই যেতে বসেছিল শিল্পীরা। শিল্পীদের আলাদাভাবে উদ্দীপনা তৈরি করার প্রয়াস নেওয়া হচ্ছে। আর্থিক ভাবে সহায়তা এবং প্রশিক্ষনের ফলে কবিগান এবং লোকশিল্পের অন্যান্য আঙ্গিক আসতে আসতে প্রতিষ্ঠিত হতে চলেছে।















