Kandi School Meal স্কুল পেল নতুন প্রধান শিক্ষক
Kandi School Meal ১৭ ডিসেম্বর থেকে চলা চাপানউতোরের পর অবশেষে স্কুল পেল প্রধান শিক্ষককে। বন্ধ ক্লাসরুমের তালা খুলে ছাত্র ছাত্রীরা বসল ক্লাসরুমে। রান্না ঘরে ফিরল ব্যস্ততা মিড ডে মিলের (Mid Day Meal) । দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে ছন্দে ফিরল কান্দির (Kandi) জেমো বিশ্বাসপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়।
Kandi School Meal অভিভাবকদের বিক্ষোভের জেরে খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিল কান্দি শহরের জেমো বিশ্বাসপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়। বৃহস্পতিবার সেখানে স্কুলের সামনে বিক্ষোভ দেখান অভিভাবকরা। স্কুলে থাকা একমাত্র শিক্ষক অর্ঘ পানকে ঘিরে ধরে কৈফিয়ত চান অভিভাবকরা। বুধবার কান্দির বিধায়ক অপূর্ব সরকারও হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, যেন পরের দিন মিড ডে মিল চালু হয়। বৃহস্পতিবার স্কুলে আসতে হয় কান্দি পুরসভার চেয়ারম্যান জয়দেব ঘটককে। অবশেষে শুক্রবার মিড ডে মিল চালু হল ওই স্কুলে। এদিন স্কুলে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নেন মহম্মদ ফিরোজ সেখ। তবে এদিন বেলা সাড়ে ১২ টা বেজে গেলেও আসেননি অপর শিক্ষক অর্ঘ পান ।
আর পড়ুনঃ Kandi School Meal: বন্ধ মিড ডে মিল! কান্দির স্কুলে বিক্ষোভ

Kandi School Meal ১৫ দিন ধরে সেখানে মিড ডে মিল বন্ধ ছিল। শিক্ষক অর্ঘ পান অভিভাবকদের বলছিলেন, আমার কিছু করার নেই। এদিন প্রধান শিক্ষক বলেন, আমি অভিজ্ঞতা থেকে স্কুলকে উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব। আমি রামেশ্বরপুর জুনিয়র গার্লস হাইস্কুলের চার্জে ছিলাম। রামেশ্বরপুর প্রাথমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলাম। আজ এখানে যোগ দিলাম। আশা করি, বিধায়ক, চেয়ারম্যানের আশীর্বাদের হাত আমার মাথায় থাকবে।
আর পড়ুনঃ Berhampore Boimela পড়া পড়া খেলা,বহরমপুরে এখন শিশু বইমেলা
Kandi School Meal অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক সমরিতা রুদ্র এদিন স্কুলে আসেন। তিনি বলেন, মিড ডে মিল নিয়ে সমস্যা ছিল। জেলা স্কুল পরিদর্শক, কাউন্সিলকে জানানো হয়েছিল। এদিন মিড ডে মিল চালু হয়ে গিয়েছে। তবে স্কুলের অন্য সহকারী শিক্ষক এদিন দুপুর সাড়ে ১২ টা পেরিয়ে গেলেও স্কুলে আসেননি। জানতে চাওয়ায় তিনি বলেন, আমি বলতে পারব না।
Kandi School Meal অনেক গরিব পরিবার এখনও স্কুলে মিড ডে মিলে ভরসা করেন। সন্তান স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে এসে খেতে চাওয়ায় সন্দেহ হয়। কারণ স্কুলে খেলে তো আর খেতে চাইত না সে। এরপর অভিভাবকরা নিজেদের মধ্যে কথা বলে স্কুলে বিক্ষোভ দেখান। স্কুলে মাত্র এক জন শিক্ষক কেন, অনেকে ক্ষোভ উগরে দেন। কেন ১৫ দিনে ধরে শিশুদের খাবার বন্ধ? প্রশ্ন তোলেন অভিভাবকেরা।















