Humayun Kabir একের পর এক বেলাগাম মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়েছেন নওদার আম জনতা উন্নয়ন Aam Janata Unnayan Party পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবির। এবার বিধানসভা থেকে হুমায়ুন কবিরকে সবক শেখানোর হুঁশিয়ারি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ আপনাকে আমি পরিষ্কার বলছি, মমতা ব্যানার্জি মুখ্যমন্ত্রী নন। আপনি দুর্বল মুখ্যমন্ত্রী পেয়ে যা খুশি করেছেন, যা খুশি বলেছেন” । তিনি সাফ জানিয়েছেন এভাবে হুমকি চলবে না। তিনি “সেখ সাজাহান” দাওয়াই দিয়েছেন। নাম না করে তুলে ধরেছেন সন্দেশখালি এবং জীবনতলার তৃণমূল নেতাদের পরিণতির উদাহরণ টেনেছেন তিনি। সাফ বলেছেন, “আপনি ধরে রাখুন এটা ওর শেষ বক্তব্য। ধরে রাখতে পারেন। এ সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করবে। গুন্ডাদের শাসন সমাপ্ত করবে”
Humayun Kabir রেজিনগরের সভা থেকে বিজেপি কর্মীদের “স্যাটা ভাঙা মার”-এর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবির। শক্তিপুরের এক সভা থেকেও একই ভাষায় হুমকি দিতে শোনা যায় হুমায়ুন কবিরকে। সোমবার শুভেন্দু অধিকারী নওদার তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবিরকে কড়া ভাষায় সতর্ক করে জানান , আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নন এবং তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
Humayun Kabir হয়েছে এফআইআর, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী
বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন , হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই রেজিনগর ও শক্তিপুর থানায় পৃথক FIR দায়ের হয়েছে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে বলেও তিনি জানান। তাঁর কথায়, আইনের ভিত্তিতেই তদন্ত এগোবে এবং প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই হুমায়ুন কবির ধারাবাহিকভাবে উত্তেজনামূলক মন্তব্য করছেন। তাঁর দাবি, মুর্শিদাবাদের ভরতপুর, রেজিনগর ও নওদা এলাকায় রাজনৈতিক সমীকরণ বদলানোর চেষ্টা এবং আসন্ন উপনির্বাচনের আগে নির্দিষ্ট ভোটব্যাঙ্ককে একত্রিত করাই এর লক্ষ্য।
আরও পড়ুনঃ Murshidabad 3 MP মুর্শিদাবাদের ৩ সাংসদই ছাড়ছেন মমতার হাত
Humayun Kabir একইসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে তিনি মুর্শিদাবাদ সফরে যাবেন। সেখানে গিয়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়ে তিনি পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তাঁর বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গে সংবিধান ও আইনই শেষ কথা বলবে, কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর দাপট নয়। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। হুমায়ুন কবিরের তরফে এই বক্তব্যের পর কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি। ফলে বিষয়টি আগামী দিনে আরও রাজনৈতিক গুরুত্ব পেতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।











