Humayun Kabir রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনের ঠিক পরের দিনই ক্যামেরার সামনে অঝোরে কেঁদে ভাসালেন হুমায়ুন কবীর। রাজনীতি থেকে স্বেচ্ছা অবসরের ঘোষণা করলেন বর্ষীয়ান বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের। রেজিনগরের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারায় আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন এবং একই সঙ্গে স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, তিনি বেঁচে থাকতে এলাকায় বাবরি মসজিদ তৈরি করেই ছাড়বেন।
Humayun Kabir রেজিনগরের বিদায়ী বিধায়ক হিসেবে ক্ষমাও চান। হুমায়ুন বলেন, ” আমি ক্ষমাপ্রার্থী আপনাদের কাছে, রেজিনগরের মানুষের কাছেও ক্ষমাপ্রার্থী। কারণ তারা বিগত পাঁচ মাস আগে যে আমাকে সম্মান দিয়েছিল বা বিধায়ক করেছিল, সেই মর্যাদা আমি রাখতে পারিনি। তার জন্য সমস্ত রেজিনগরের সর্বস্তরের মানুষের কাছে আমি আমার ক্ষমা চাইছি। আমি আগামী দিনে রাজনীতি থেকে সমস্ত কিছু থেকে সরে দাঁড়াব।”
Humayun Kabir একই সঙ্গে রাজ্যের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট টেনে তিনি বিস্ফোরক মন্তব্য করেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, যত দিন শুভেন্দু অধিকারী পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন, তত দিন তিনি আর বিধানসভায় আর যাবেন না। পাশাপাশি তিনি বলেন, রেজিনগরের মানুষকে মুখ্যমন্ত্রী যে সমস্ত প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা যেন পূরণ করে এলাকাটিকে আগামী দিনে একটি মডেল বিধানসভা হিসেবে গড়ে তোলা হয়।
Humayun Kabir রাজনীতি থেকে অবসর নিলেও তাঁর বহুচর্চিত বাবরি মসজিদ নির্মাণ পরিকল্পনা থেকে তিনি একচুলও সরছেন না। তিনি সাফ জানান, তাঁর ট্রাস্টের মাধ্যমেই এই মসজিদ আইনসম্মতভাবে গড়ে তোলা হবে। যতক্ষণ না সুপ্রিম কোর্ট বা মহামান্য হাইকোর্ট থেকে কোনও স্থগিতাদেশ বা আইনি নিষেধাজ্ঞা আসছে, ততক্ষণ দুনিয়ার কোনও শক্তিই এই নির্মাণ কাজ আটকাতে পারবে না। পুলিস বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলপ্রয়োগ করে কাজ আটকানোর চেষ্টা করা হলে, যেভাবেই হোক শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে তা প্রতিহত করার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি। রেজিনগর উপনির্বাচনের আবহেই এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদের কান্না ও রাজনীতি ছাড়ার বার্তা ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র শোরগোল পড়ে গিয়েছে।













