Berhampore Politics বিধানসভা নির্বাচন এখনও ঢের বাকি। তার আগেই রক্ত ঝরল বহরমপুরে। প্রাণ গেল এক তৃণমূল কর্মীর। শুক্রবার রাতে বহরমপুর থানার Berhampore PS কুমড়দহঘাট এলাকায় এক ঘটনা ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজাও। তৃণমূলের দাবি, ভয়ের পরিবেশ তৈরি করতেই এই কান্ড ঘটিয়েছে কংগ্রেস। নিহতের নাম, হায়াতুল্লাহ শেখ (৪৮)। তিনি বহরমপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আইজুদ্দিন সেখের নিকট আত্মীয়।
আরও পড়ুনঃ জঙ্গিপুর পৌরসভাকে চরম হুঁশিয়ারি সরকারের । ময়দানে জাকিরও
Berhampore Politics কী ঘটেছিল বহরমপুরে ?
জানা গিয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজের বাড়ির পাশেই রাস্তায় দাঁড়িয়েছিলেন হায়াতুল্লাহ শেখ । সেই সময় কয়েক জন দুষ্কৃতী এসে হামলা চালায়। ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয় তাঁকে। আহত অবস্থায় মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।আইজুদ্দিন মন্ডল অভিযোগ করেন কংগ্রেসের বিরুদ্ধে।
Berhampore Politics কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব অপূর্ব সরকার
তৃণমূলের বহরমপুর মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি অপূর্ব সরকার এই নিয়ে সুর চড়িয়েছেন কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। তিনি বলেছেন, “ ভোট যত এগিয়ে আসবে বিরোধী রাজনৈতিক দল গুলো চেষ্টা করবে তৃণমূলকে দুর্বল, ভীত সন্ত্রস্ত করার । কালকেই বহরমপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির শ্যালক হায়াতুল্লা সেখকে বাড়ির সামনেই নৃশংস ভাবে খুন করা হয়েছে। সেই এলাকায় মূলত কংগ্রেসিরা, তার সাথে বেশকিছু দাগি দুষ্কৃতিকারী এই ঘটনা ঘটানোর মধ্যে দিয়ে তৃণমূল কর্মীদের মনোবল ভাঙতে চেষ্টা করছে” ।
তিনি আরও বলেছেন, “ পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা নিচ্ছে। আমরাও বলবো পুলিশকে। বিগত লোকসভা ( নির্বাচন) শান্তিপূর্ণ ভাবেই হয়েছে । ভোট এলেই এই জেলায় তৃণমূলকে ভীত সন্ত্রস্ত করার চেষ্টা যারা করছে তাঁদের কঠোর ফাঁসির সাজা হোক। আমরা ২০২৬ এ শান্তির সাথে নির্বাচন করবো” । যদিও অভিযোগ উড়িয়েছে কংগ্রেস। জেলা কংগ্রেসের মুখপাত্র জয়ন্ত দাস আঙুল তুলেছেন তৃণমূলের আভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের দিকে। তিনি বলেছেন, ” নিজেদের বিরুদ্ধে দোষ ঢাকতে উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে দেওয়া হচ্ছে। পুলিস প্রশাসন তৃণমূলের হাতে। তদন্তে ভরসা রাখুক। খুনোখুনি হলে বোঝা যায় ভোট আসছে” ।















