World Water Day: জল বাঁচানোর শপথ বিশ্ব জল দিবসে

World Water Day:  বর্ষীয়ান সাবিত্রী স্বর্ণকার থেকে স্কুল ছাত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। সকলকে মিলিয়ে দিল বিশ্ব জল দিবসে জল সংরক্ষণের শপথ। কৃষ্ণনগরের রবীন্দ্রভবনে  বিশ্ব জল দিবসে  ( World Water Day 2024) চব্বিশ   জনকে সম্মান জানানো হল শুক্রবার। জল সংরক্ষণের বার্তা দিয়ে, রঙিন বেলুন উড়িয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। জল জীবন মিশনের আইএসএ’র ( ISA – Nadia)  উদ্যোগে এবং জন স্বাস্থ্য কারিগরি বিভাগের সহায়তায় এদিনের কর্মসূচি হয়।

এদিন নদীয়ার জেলা শাসক এস অরুণ প্রসাদ ( Shri S Arun Prasad, IAS)   জানান,  রাজ্যে জল জীবন প্রকল্পে সব থেকে ভালো কাজ হয়েছে নদীয়া জেলায়। জল সংরক্ষণের কাজে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বানও জানান তিনি।

এদিন স্বাগত ভাষণ রাখেন নদীয়া আর্সেনিক সিভিল ডিভিশন টু’র এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার শামীদীপ ভট্টাচার্য । জলের সংরক্ষণের বার্তা নিয়ে যারা গ্রামে গ্রামে যাচ্ছেন তাঁদের সকলকে অভিনন্দন  জানিয়েছেন নদীয়া আর্সেনিক সিভিল ডিভিশন ওয়ানের  এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার সুদীপ ঘোষ।

জল সংরক্ষণের বার্তা নিয়ে নাটক পড়ুয়াদের

এদিন ২৪ জন ওয়াটার চ্যাম্পিয়নের হাতে স্মারক, উপহার তুলে দেন জনসবাস্থ্য কারিগরী দপ্তরের আধিকারিকরা। জলের গুরুত্ব সকলে বুঝলে পৃথিবী জল সংকট থেকে বাঁচবে। আলচনায় এই কথা তুলে ধরেছেন

নদীয়া ডিভিশনের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার সুস্মিত বাগচী। তিনি বলেছেন, ভূগর্ভস্থ পানীয় জল কমে আসছে। তাই নলবাহিত জল সচেতন ভাবে ব্যবহার করতে হবে। জল অপচয় করা যাবে না।

এদিন অনুষ্ঠানে স্কুলের পড়ুয়াদের একাধিক  নাটকে  মাধ্যমে বার্তা দেওয়া হয় জল সংরক্ষণের।  বাইরে ছিল সেলফি স্ট্যান্ড , মডেল প্রদর্শনী। এদিন অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল জল সংরক্ষণের শপথ। নলবাহিত পরিশুদ্ধ পানীয় জলের সঠিক ব্যবহারের বার্তা।

এদিন বারবার উঠে এসেছে বিশ্ব জল দিবসের  গুরুত্বর কথা। ১৯৯২ সালের  ২২ ডিসেম্বর, ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে রাষ্ট্রসংঘে পরিবেশ নিয়ে সন্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সময়ই বিশ্ব জল দিবস পালনের প্রস্তাবটি ওঠে রাষ্ট্রসংঘে।  তারপর, ১৯৯৩ সালের ২২ মার্চ থেকে সমস্ত বিশ্বে জল দিবস হিসেবে উদযাপিত হতে থাকে।

২০২৪ সালের বিশ্ব জল দিবসের থিম হল, “শান্তির জন্য জল”। বিশ্বশান্তি ও জলের মধ্যে সম্পর্ক আরও স্পষ্ট হচ্ছে প্রতিদিন।  পরিশুদ্ধ পানীয় জল আমাদের জীবনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূরণ উপাদান।

সেলফি স্ট্যান্ডে শিক্ষিকা ও ছাত্রীরা

জাতিসংঘের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,  জলের বিষয়ে যখন আমরা একসাথে কাজ করি। সেই কাজের মাধ্যমে যে ঢেউ ওঠে সেই ঢেউ আসলে ঐক্য, সমৃদ্ধি, পারস্পরিক বিশ্বাসযোগ্যতাকে শক্তিশালী করে। এক হয়ে চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে শেখায়। জল শুধুমাত্র সম্পদ নয়। জল সব মানুষের অধিকার। উজ্জ্বলতর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে আমাদের উচিৎ জলের ব্যবহার নিয়ে নিজেদের মধ্যে ঐক্য, সহমত গড়ে তোলা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন,  যখন জলবায়ুর পরিবর্তন ঘটছে, জনসংখ্যা বাড়ছে, এই রকম একটা সময়ে জল সংরক্ষণে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।