পথে নামলেন শয়ে শয়ে মহিলা বিড়ি শ্রমিক
নিজস্ব প্রতিবেদনঃ বিড়ি শ্রমিকদের তারাপুর হাসপাতাল বাঁচানোর জন্যে ১৫ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিল সিআইটিইউ (CITU)। তা না মানলে বড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারি। মধ্যবঙ্গ নিউজ সংবাদপত্রে তারাপুর হাসপাতালের দৈন দশা নিয়ে খবর প্রকাশিত হওয়ার পর শুরু হয়েছে আলোড়ন। শুরু হয়েছে পথে নেমে আন্দোলন। বুধবার স্থানীয় সাংসদ ঈশা খান চৌধুরীর পর বৃহস্পতিবার সিআইটিইউ অনুমোদিত মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলা বিড়ি মজদুর অ্যান্ড প্যাকার্স ইউনিয়ন তারাপুর হাসপাতাল চলো অভিযানের ডাক দেয়।
আরও পড়ুনঃ Central Hospital for Beedi Workers ধুঁকছে তারাপুর হাসপাতাল, কেন্দ্র-রাজ্যের দিকে দায় ঠেললেন সাংসদ

Tarapur Bidi Hospital ফারাক্কার আকুড়া ব্রিজ মোড় থেকে বিড়ি শ্রমিকরা দু কিলোমিটার পদযাত্রা করে তারাপুর হাসপাতালে এসে উপস্থিত হন। মিছিলে উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। উল্লেখযোগ্য হারে ছিলেন মহিলা বিড়ি শ্রমিকেরা। কেও সন্তান কোলে নিয়ে, বাড়ির সব মহিলাদের এক জোট করে অনেকে এসেছিলেন। বিড়ি শ্রমিকদের কার্ড(পরিচিতি পত্র) চালু করে ওয়েলফেয়ার অফিস থেকে তা বিড়ি শ্রমিকদের দেওয়া, ডিজিটাল কার্ড চালু করা, তারাপুর হাসপাতালে পর্যাপ্ত সংখ্যক ডাক্তার, নার্স ও প্যারা মেডিক্যাল স্টাফ নিয়োগ ও বিড়ি শ্রমিকদের জন্য নিয়মিত ওষুধের ব্যবস্থা করা সহ একগুচ্ছ দাবিতে ডেপুটেশন দেওয়া হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে।

Tarapur Bidi Hospital প্রবীণ সিআইটিইউ নেতা দিলীপ মিশ্র এদিন বিড়ি শ্রমিকের সামনে বলেন, ” ১৫ দিনের মধ্যে আমাদের দাবি নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বা কেন্দ্র সরকার যদি সদর্থক ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তাহলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলন হবে”। তিনি আরও বলেন, মধ্যবঙ্গ সংবাদপত্রের প্রতিবেদন থেকে জানতে পেরেছি এই জেলায় ১৭ লক্ষ বিড়ি শ্রমিক রয়েছেন। এখানকার সাংসদ বা বিধায়করা কী করছেন? কেও কোনও ভূমিকা পালন করছেন না। বিড়ি মালিকদের নার্সিং হোম রয়েছে। তাঁরা চান না এটা হোক। হাসপাতাল ভেঙে পড়েছে। এখানে শ্রমিকদের ‘ওয়েল ফেয়ারের’ যে সুবিধা ছিল তা নেই। অফিস বন্ধ।










