এখন খবরমধ্যবঙ্গ নিউজপরিবেশবিনোদনহেলথ ওয়াচখেলাঘরে বাইরেলাইফস্টাইলঅন্যান্য

Waterborne Disease বর্ষায় বাড়ছে জলবাহিত রোগের প্রকোপ, কোন নিয়ম মানলে থাকবেন সুস্থ ?

Published on: July 3, 2024
Waterborne Disease tips to protect health tips

Waterborne Disease জুলাইয়ের শুরুতেই বঙ্গ জুড়ে শুরু হয়েছে বর্ষা। তীব্র দাবদাহর হাত থেকে অবশেষে রেহায় পাবেন সাধারণ মানুষ। কিন্তু এই বর্ষার সঙ্গেই নিয়ম মেনে আসে নানান ধরণের রোগ। বিশেষ করে জলবাহিত রোগ এই সময় প্রচুর পরিমাণে দেখা যায়।

শুরুটা হবে বাড়ির জলের ট্যাঙ্কি থেকেই। বৃষ্টির সময় শুরু হয়েছে। বাড়বে জলবাহিত অসুখবিসুখ। পেট খারাপ, বমির সমস্যায় ভুগছেন অনেকে। ভোগাচ্ছে ডিহাইড্রেশনও। জল পরিস্রুত কিনা তার তদারকি করা সব সময় দরকার।

পেটের রোগ এই সময়ের সবচেয়ে বড় সমস্যা। এর কারণ হল ব্যাক্টেরিয়ার প্রকোপ। ই-কোলাই ব্যাক্টেরিয়া মলের মধ্যে থাকে। কোনও কারণে মল জলের সঙ্গে মিশে গেলে সংক্রমণ হয়। তা ছাড়া টাইফয়েড, ক্লসটিডিয়াম, সিরেলা, সালমোনেলা থেকেও সংক্রমণ হয়।

জলবাহিত রোগ যে শুধু পানীয় জল থেকে হয়, তা নয়। দূষিত জলে স্নান করলে, মুখ-হাত ধুলে, এমনকি পুকুর, সুইমিং পুলের অপরিষ্কার জলে সাঁতার কাটার সময়েও কয়েক ফোঁটা মুখে ঢুকে গেলে সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে।

কী ভাবে থাকবেন সাবধান?

প্রথমেই দেখতে হবে, প্রস্রাব ঠিক মতো হচ্ছে কি না। না হলে ওআরএস দিতে হবে। ওআরএস দেওয়ার পরে বমি হতে পারে। কিন্তু, উদ্বিগ্ন না হয়ে। মুখ পরিস্কার করে ফের ওআরএস দিতে হবে।

চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, পাঁচ বারের বেশি পাতলা মল হলে তখন স্যালাইনের ব্যবস্থা করতে হবে। মলের সঙ্গে রক্ত পড়লে তখন চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ‘স্টুল কালচার’ করাতে হবে।

খাওয়াদাওয়ায় বেশি নজর দিতে হবে এই সময়ে। বেশি করে জল খেতে হবে এবং ভাজাভুজি, তেল মশলাদার খাবার খাওয়া একেবারেই চলবে না। রাস্তার দোকান থেকে কেনা খাবার, কাটা ফল, লস্যি-শরবত খেলেই মুশকিল। কাঁচা শাকসব্জি খাবেন না, কারণ ব্যাক্টেরিয়া সংক্রমণের ঝুঁকি থাকবে। এই সময়ে কোনও অনুষ্ঠান বাড়িতে গেলে স্যালাড এড়িয়ে চলাই ভাল।

বরং, বাড়িতে বানিয়ে খান। বাইরে থেকে ফল কিনে এনে খেলে, তা ভাল করে ধুয়ে নিন। শাকসব্জি ভাল করে সিদ্ধ করে রান্না করুন। সহজ পাচ্য খাবার খেতে হবে। শিশুদের শরীরে পটাশিয়াম দ্রুত কমে যায়। তাই লেবুর রস, কলা, স্যুপ জাতীয় খাবার, পেঁপে দিতে হবে। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার বেশি খেতে হবে। ঘর যদি মশা-মাছি মুক্ত রাখা যায় এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকে, তবে রোগ ছড়াতে পারে না।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now