সিভিক ভলান্টিয়ার গ্রেপ্তারে তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা
নিজস্ব প্রতিবেদনঃ ডোমকলে (Domkol) অপহরণের অভিযোগে ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ারকে হেফাজতে নিল না পুলিশ। ২০ অক্টোবর পর্যন্ত তাকে জেল হেফাজতে পাঠিয়েছে কোর্ট। বুধবার সন্ধ্যায় ডোমকলের বাজিতপুর শেখপাড়া এলাকার বাড়িতে ঢুকে এক ব্যক্তিকে পুলিশের স্টিকার লাগানো গাড়িতে অপহরণের অভিযোগ ওঠে। পরে পুলিশ অপহৃতকে উদ্ধার করে। ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ জনকে। এর মধ্যে ছিল ডোমকল থানার (Domkol PS) সিভিক ভলান্টিয়ার হুমায়ুন কবীর। বৃহস্পতিবার ধৃতদের বহরমপুর সিজেএম কোর্টে পাঠায় পুলিশ। এদিন বিচারক ধৃতদের মধ্যে সুমন মণ্ডল, আজমির মণ্ডল ও ইনায়মূল কবীরকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। যদিও অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ার সহ বাকিদের ৫ জনকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।
আর পড়ুনঃ Domkol Civic Arrest: পুলিসের স্টিকার মারা গাড়িতে অপহরণ, গ্রেপ্তার আট

বহরমপুরে কোর্টের ভারপ্রাপ্ত সরকারি আইনজীবী (এপিপি) সিদ্ধার্থ গুপ্ত বলেন, আজকে আটজনকে পুলিস গ্রেপ্তার করে আদালতে তুলেছিল। তাদের প্রত্যেকের জামিন খারিজ হয়েছে। পুলিস ৩ জনকে হেফাজতে চেয়েছিল। আদালত তাদের ২১ অক্টোবর পর্যন্ত হেফাজত অনুমোদন করেছেন। পুলিস তাদের নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করবে। প্রত্যেককেই ২১ অক্টোবর আদালতে তোলা হবে।
অপহরণের অভিযোগে সিভিক ভলান্টিয়ার গ্রেপ্তার হওয়ায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোরও। এনিয়ে তৃণমূলকে নিশানা করেছে বিজেপি।
মুর্শিদাবাদের বিজেপি বিধায়ক গৌরীশঙ্কর ঘোষ বলেন, বাংলায় আইনের শাসন কোথায়? মুর্শিদাবাদে আইনের শাসন কোথায়? একজন সিভিক ভলান্টিয়ার আরও ৬ জনকে নিয়ে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ করছে। এই ভলান্টিয়ার কারা? এরাও তৃনমূলের নেতা। এই যে ঘটনা ঘটছে ডোমকল বা রানীনগর এলাকায়, এই ঘটনা মানুষকে নিরাপত্তা নিয়ে ভাবতে বাধ্য করবে। তিনি আরও বলেন, তৃণমূল নেতার আশ্রয় প্রশ্রয়ে ডোমকল থানার সিভিক ভলান্টিয়ার। অবিলম্বে প্রতিটি থানায় এই ধরনের যারা সিভিক রয়েছেন তাদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া দরকার। এর মাথা কে খুঁজে বের করা দরকার। একজন সিভিক ভলান্টিয়ার শাসকদলের মদত ছাড়া পুলিসের স্টিকার নিয়ে ঘুরবে এই হিম্মত তাদের নেই।
বিজেপির পাশাপাশি কংগ্রেসও এনিয়ে তৃণমূলকেই দুষছে। যদিও এনিয়ে তৃণমূলের সাফাই, অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ায়ের বিরুদ্ধে প্রশাসন ব্যবস্থা নিয়েছে ।









