এখন খবরমধ্যবঙ্গ নিউজপরিবেশবিনোদনহেলথ ওয়াচখেলাঘরে বাইরেলাইফস্টাইলঅন্যান্য

Kandi Shocking Incident: কান্দীতে ভাইফোঁটায় দাদার সঙ্গে ঝগড়া করে মায়ের সামনে শেষ ঝাঁপ

Published on: October 23, 2025
Kandi Bhaifota Shocking Incident

দাদার সঙ্গে ঝগড়া করে মরণ ঝাঁপ কিশোরের

নিজস্ব প্রতিবেদনঃ ভাইফোঁটার (Bhaifota) দুপুরে মর্মান্তিক ঘটনা কান্দি থানার (Kandi) জীবন্তিতে। দাদার সঙ্গে ঝগড়া করে অভিমানে মর্মান্তিক কাণ্ড ঘটাল ভাই। মায়ের সামনেই মোবাইল টাওয়ার থেকে মরণ ঝাঁপ কিশোরের। পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে  জানা গিয়েছে, জীবন্তি এলাকার বাসিন্দা ওই কিশোরের সঙ্গে বৃহস্পতিবার সকালে বাড়িতে দাদার ঝগড়া হয়। অভিমানে সে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। এরপর মা ছেলেকে খুঁজতে বের হন। বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে একটি মোবাইলের টাওয়ারের উপরে উঠে পরে ওই কিশোর। ছেলেকে মা নামতে বললেও ছেলে তা মানতে চায়নি। দুপুরে মায়ের সামনেই টাওয়ারের উপর থেকে মরণ ঝাঁপ দেয় সে।

Kandi Shocking Incident

আরও পড়ুনঃ Humayun Kabir ভাই ফোঁটা নিয়েই ফুঁসলেন হুমায়ুন। যা বললেন……

Kandi Shocking Incident ঘটনাস্থলেই প্রাণ যায় তার। এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকা জুড়ে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মোবাইল টাওয়ার থাকলেও নেই কোনও নিরাপত্তা। নিরাপত্তা থাকলে হয়তো জীবন যেত না। ভাইফোঁটার দিনে এমন ঘটনায় শোকস্তব্ধ এলাকাবাসী। কান্দি থানার পুলিশ মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কান্দি মহকুমা হাসপাতালে পাঠিয়েছে। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।

Kandi Shocking Incident এক স্থানীয় বাসিন্দা তথাগত চন্দ্র বলেন, এখানে টাওয়ারের কোনও নিরাপত্তা নেই। যে কোনও মুহূর্তে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। যে কোনও পশু বা যে কোনও শিশুর দুর্ঘটনা হতে পারে। এটা ঘেরা থাকলে আজকে এই ঘটনা ঘটতে পারতো না। এটাকে ঘিরে দেওয়া উচিত। স্থানীয় মহম্মদ ইয়ার আলি শেখ বলেন, আমি কখন ওই কিশোর টাওয়ারে উঠেছে দেখিনি। তবে ঝাঁপ মারা দেখেছি। তার আগে ওকে মাঠের দিক থেকে ফোন করতে করতে টাওয়ারের দিকে এগিয়ে আসতে দেখে জিজ্ঞাসা করি। কিন্তু কোনও জবাব পাইনি। ওই কিশোরের ঠাকুমা বলেন, দুই ভাইয়ে ঝগড়া হয়েছে খেলা করতে করতে। তারপরে ওর দাদা বাইরে যায়। ও পাড়া দিয়ে গেল। ওর মাকে বললাম ছেলে পালালো। মা গেল পিছু পিছু।

Kandi Incident

Kandi Shocking Incident এদিন ওই টাওয়ারের নীচে ঘরের মধ্যে দেখা যায় খোলা রয়েছে ইলেকট্রিকের তার। বোর্ড। যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয়রা।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now