SSC Teacher Recruitment রাজনৈতিক চক্রান্তের অভিযোগে সরব চাকরিহারা যোগ্য শিক্ষক শিক্ষিকাদের একাংশ। স্কুল সার্ভিস কমিশনের (School Service Commission) শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে জটিলতা ক্রমশ বাড়ছে। নতুনদের সঙ্গে ‘দাগী নয়’ বা ‘যোগ্য’ চাকরিহারাদের নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে জটিলতা সামনে এসেছে। প্রতিদিন সামনে আসছে নতুন নতুন মামলা। যেভাবে প্রক্রিয়া চলছে তাতে চাকরিহারারাও ভরসা রাখতে পারছেন না। যোগ্য চাকরিহারাদের অভিযোগ, এই ঘটনায় তাঁরা চক্রান্তের শিকার। এখন বিষয়টি ফের আদালতের তত্ত্বাবধানে। শিক্ষকরা মনে করছেন, জটিলতা সৃষ্টি করে বিধানসভা ভোটের (West Bengal Assembly Election 2026) জন্যে এই ইস্যু বাঁচিয়ে রাখা হচ্ছে। ফলে তাঁরা রয়েছেন তিমিরেই। ডিসেম্বরেই তাঁদের বেতন বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ফলে তারপরে তাঁদের কী হবে?
আরও পড়ুনঃ এয়ারপোর্টে বিদেশ যাত্রার আগে সিকিউরিটি চেক নয়, হবু শিক্ষকদের SSC পরীক্ষা!
SSC Teacher Recruitment শুক্রবার, এ বছরের নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিধি পরিবর্তন করা নিয়ে এসএসসিকে কলকাতা হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে। হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, সর্বোচ্চ আদালত যোগ্যদেরই বা যারা দাগী নয় তাঁদের এই পরীক্ষায় বসার সুযোগ দিতে বলেছিল। অথচ কমিশন নতুন নিয়োগ বিধিতে একাধিক পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। এসএসসিকে আদালত প্রশ্ন করে, কিছু যোগ্য চাকরি প্রার্থীর বয়স ইতিমধ্যে পেরিয়ে গিয়েছে। তাঁদের জন্য কী ব্যবস্থা হবে?
SSC Teacher Recruitment দাগী নয়, অর্থাৎ যারা টেইন্টেড নয় সেই শিক্ষকদের বক্তব্য, আদালত তাঁদের অযোগ্য বলেনি। তাঁরা ফের পরীক্ষাতে বসেছেন। কিন্তু তারপরেও নিয়োগ প্রক্রিয়া যেভাবে ঝুলে যাচ্ছে তাতে তাঁদের মনে আশঙ্কা দানা বাঁধছে। এর পিছনে রাজনৈতিক স্বার্থ রয়েছে।
SSC Teacher Recruitment কী বলছেন শিক্ষকরা ?
SSC Teacher Recruitment চাকরিহারা যোগ্য শিক্ষক শিক্ষিকা অধিকার রক্ষা মঞ্চের পক্ষে হাবিব বাপি শনিবার বলেন, যোগ্য শিক্ষক শিক্ষিকারা বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের শিকার। দোষ না করেও শাস্তি পেতে হচ্ছে। ২০১৬ সালের চাকরি ফিরিয়ে দেওয়া হোক। ২০১৬ সালের ইস্যুকে বাঁচিয়ে রেখে বিধানসভা ভোটের আগে বৈতরণী পার করা। সরকার, বিরোধী প্রত্যেকেই এটা করছে। আমাদেরকে ফুটবলের মতো ব্যবহার করা হচ্ছে। আমরা ২০১৬ সালে যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছি। আবার এখন যোগ্যতার প্রমাণ দিলাম। আমি নিজেও কোয়ালিফাই করেছি। ফের বিষয়টি আবার আদালতে। যেভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে তাতে আমরা ভরসা পাচ্ছি না।
SSC Teacher Recruitment উল্লেখ্য, যারা কোয়ালিফাই করেছেন তাঁদের তথ্য যাচাই পর্ব চলছে। যারা কোয়ালিফাই করেনি তাঁদের জন্যে আদালতে মামলা চলছে।
দাগী নয় বা যোগ্য ১৫ হাজার ৪০৩ জন শিক্ষক রয়েছেন। তাঁর মধ্যে পরীক্ষায় বসেছিলেন ১৩ হাজার ৮০০ জন।
SSC Teacher Recruitment গত এপ্রিল মাসে চাকরি হারিয়ে রাস্তায় কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা গিয়েছিল সদ্য চাকরিহারা ‘দাগী নয়’ এমন শিক্ষক শিক্ষিকাদেরও। যারা শিক্ষক ছিলেন তাঁরা বেকার হয়ে যান। ভেঙে পড়ে পরিবারগুলি। নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া না হওয়া পর্যন্ত ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাঁদের ‘বেতন’ দেওয়ার ঘোষণা হয়। কিন্তু, হাতে আর এক মাস, কী হবে তারপরে? ওই মঞ্চের দাবি, তাঁরা অন্ধকারে। নিয়োগ ঘিরে দুর্নীতিতে টাকা নিয়েছেন নেতা-মন্ত্রীরা। আর ভুগতে হচ্ছে তাঁদের।














