নিজস্ব প্রতিবেদনঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা গান গাওয়ার জন্যে জেলে পুড়ে দেওয়া হচ্ছে। বীরভূমের অন্তঃসত্ত্বা সোনালি বিবি আটকে বাংলাদেশের জেলে। বিভাজন ছড়ানো হচ্ছে সিনেমায়। এই অন্ধকার সময়ে সম্প্রীতির অনুষ্ঠান করতে হচ্ছে। মুর্শিদাবাদ জেলা সাংবাদিক সংঘে রেজাউল করিম স্মৃতি সম্মাননা ও সম্প্রীতি দিবস পালন অনুষ্ঠানে এই বক্তব্য উঠে এল জেলার বিশিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্যে। মুর্শিদাবাদ জেলায় সম্প্রীতির সাধক রেজাউল কর্মীর মৃত্যু দিনটিকে বেছে নেওয়া হয়েছে সম্প্রীতি দিবস পালনের জন্যে।

Rejaul Karim Berhampore বুধবার বিজন ভট্টাচার্য হলে প্রগতিশীল নাগরিক মঞ্চের পক্ষ থেকে ওই অনুষ্ঠান করা হয়। সম্মান জানানো হয় লেখক, নজ্রুল গবেষক অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাতকে। তিনি রেজাউল করিমের জীবন ও সাধনা নিয়ে বক্তব্য পেশ করেন।
Rejaul Karim Berhampore উদ্বোধনী সঙ্গীতেই মানবতার জয়গান গেয়ে অনুষ্ঠানের সুর বাঁধা হয়ে গিয়েছিল। ১৯৯৩ সালের ৫ নভেম্বর প্রয়াত হয়েছিলেন রেজাউল করিম। অনুষ্ঠানে বক্তা চন্দ্রপ্রকাশ সরকার বলছিলেন, এতো ঔদ্ধত্ব যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিষিদ্ধ করা হয়। এই ঘোর অন্ধকারে সম্প্রীতি দিবস। অনুষ্ঠানে সাম্প্রতিক কালে সম্প্রীতির সঙ্কট নিয়ে বক্তব্য পেশ করেন সাংবাদিক মিলন দত্ত। তিনি বলেন, আমরা এই ছোট উদ্যোগকে বড় পরিসর দিতে পারলে অন্ধকার সমাজ থেকে বেরোতে পারবো। তাঁর কথায় উঠে আসে সোনালি বিবির কথা। একই সঙ্গে তিনি বলেন হিন্দি সিনেমা ভীষণ প্রভাবিত করতো। সেখানে ঐতিহাসিক সত্যতা না থাকা বিষয় তুলে ধরা হচ্ছে। বিকৃত করা হচ্ছে। তাঁর কথায় উঠে আসে বিভাজন ছড়ানোর জন্যে একাধিক সিনেমার কথা।
Rejaul Karim Berhampore অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাংবাদিক বিপ্লব বিশ্বাস। ৫০ জনেরও বেশি এদিন বহরমপুরে ওই অনুষ্ঠানে অংশ নেন। চিকিৎসক ড. এ হাসান, প্রধান শিক্ষক গোলাম মর্তুজা, সনৎ কর সহ জেলার অনেক বিশিষ্ট মানুষ আসেন। এদিন সকালে মোহন মোড়ে রেজাউল করিমের মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানানো হয়।









