Murshidabad SIR-এর আবহে রূপান্তরিত ও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটাররাও উদ্বিগ্ন। কী করবেন? কোথায় বলবেন সমস্যা? কয়েক মাস পরেই রাজ্যে আবার বিধানসভা ভোট। এবার তাঁদের নিয়ে বিশেষ পদক্ষেপ মুর্শিদাবাদ জেলা প্রশাসনের। ভোট অধিকার, ভোটশক্তি- সচেতনতার বার্তা দিয়ে হল কর্মশালা। রূপান্তরিত ও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটারদের নিয়ে বুধবার বহরমপুরে জেলা প্রশাসনিক ভবনে হল বিশেষ আলোচনা সভা। যেখানে সরাসরি তাদের সঙ্গে কথা বলেন জেলা শাসক নিতিন সিংহানিয়া, অতিরিক্ত জেলা শাসক উন্নয়ন চিরন্তন প্রামাণিক। শোনা হয় অভাব, অভিযোগ, নানান বিষয়।
আরও পড়ুন – Kandi SIR শুনানিতে ডাক, শয্যাশায়ী দুই বৃদ্ধা গেলেন অ্যাম্বুলেন্সে

Murshidabad রূপান্তরিত ও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটারদের নিয়ে বৈঠকে মুর্শিদাবাদ জেলা প্রশাসন
Murshidabad এদিনের আলোচনা সভায় অংশ নিয়েছিলেন বহরমপুর শহর লাগোয়া এবং আশেপাশের একাধিক থানা এলাকার রূপান্তরকামী, রূপান্তরিত এবং তৃতীয় লিঙ্গের প্রায় পঞ্চাশ জন। একদিকে বড় অংশের নাগরিক যখন এসআইআর নিয়ে উদ্বিগ্ন, তখন ভোটার তালিকায় স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন -এ কি তাঁরা অসুবিধায় পড়ছেন? আলোচনা হয় বিস্তর। আলোচনা শেষে এক প্রতিনিধি সোনম জানান, এসআইআর নিয়ে কোন সমস্যা হয়েছে কিনা সমস্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় জেলা শাসক, জেলা প্রশাসনের কর্তাদের সাথে। কোনরকম সমস্যায় পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন জেলা শাসক। বিশেষ ক্যাম্প করা হবে জেলার তিন জায়গায়, আমরা খুশি যে জেলা প্রশাসন আমাদের বিষয়টি নিয়ে ওয়াকিবহাল।

Murshidabad আলোচনা প্রসঙ্গে কী জানিয়েছেন মুর্শিদাবাদ জেলা শাসক নিতিন সিংহানিয়া? কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে আগামী দিনে?
Murshidabad মুর্শিদাবাদ জেলা শাসক নিতিন সিংহানিয়া বলেন, “সামগ্রিক উন্নয়ন নিয়ে এবং সরকারি পরিষেবা তারা কী কী পাচ্ছেন, কী কী পাচ্ছেন না এবং ১০০ শতাংশ সুবিধা যাতে ওনারা পান সেটা নিয়ে আজকে আলোচনা হয়েছে। তাদের কিছু উদ্বেগ আছে যেগুলি তারা তুলে ধরেছেন। সেটা আমরা সংশ্লিষ্ট দফতরকে জানাব। ওদের জন্য আলাদা করে ক্যাম্প আয়োজিত করতে চলেছি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই। অরিয়েন্টেশন ওয়ার্কশপ করতে চলেছি যাতে ওদের কল্যাণমূলক ব্যবস্থাকে আরও বাড়ানো যায়।”
Murshidabad অতিরিক্ত জেলা শাসক উন্নয়ন চিরন্তন প্রামাণিক আলোচনা সভায় এদিন বলেন, “নাগরিকত্ব নেওয়ার একটা পদ্ধতি রয়েছে। ভয়মুক্ত, কোন প্রভাব মুক্ত পরিবেশে যেন ভোট দেওয়া যায় সেটাই লক্ষ্য। সচেতনতার বার্তা দিয়ে বলেন, ১৮ বছর বয়স যাদের হয়ে গেছে অথচ আপনি মনে করছেন নামটা ওঠেনি সেক্ষেত্রেও একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকছে। আপনার ভোট মানে আপনিই ভোট দেবেন।”









