নিজস্ব প্রতিবেদনঃ সৌদি আরব (Saudi Arabia) থেকে দেহ আনা যাচ্ছিল না। সেখান থেকে মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) দেহ আনতে আড়াই লাখ টাকা খরচ। দুশ্চিন্তায় ভুগছিল পরিবার। অবশেষে ভারতীয় হাইকমিশন ও মুর্শিদাবাদ জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ২ মাস ১০ দিন পর মৃতদেহ এল বাড়িতে। সৌদি আরবের জেদ্দা শহর থেকে বহরমপুর ব্লকের ডাবকাই গ্রামে মঙ্গলবার সকাল ৮ টা নাগাদ মোজাফফর হোসেনের দেহ পৌঁছয়।
আরও পড়ুনঃ Murshidabad Labour বেঙ্গালুরুতে শেষ ৭ পরিযায়ী শ্রমিক। ফিরল দেহ

Murshidabad labour Saudi: গত ৪ আগস্ট সেখানে অস্বাভাবিক মৃত্যু হয় মোজাফফরের (২১)। দেহ নিয়ে আসার মতো ক্ষমতা ছিল না তাঁর পরিবারের। সৌদি আরবে করুণ পরিণতি হয় মুর্শিদাবাদের ওই

পরিযায়ী শ্রমিকের। কর্ণসুবর্ণ ওয়েলফেয়ার সোসাইটির পক্ষ থেকে মোতিউর রহমান এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে এজন্য সদর মহকুমা শাসক সহ সব আধিকারিক ও কর্মকর্তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
Murshidabad labour Saudi: মোজাফফরের বাবা ধার করে সৌদি গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে গিয়ে তাঁকে জেলে থাকতে হয়। তিনি ফিরে আসেন। সেটা ২০১৯ সাল ছিল। এরপরে ২০২৪ সালে ছেলেকে সেখানে পাঠান। তাঁকেও ধার করে পাঠান । ছেলের জন্যে দালালকে দিতে হয় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। সেখানে গিয়ে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী টাকা দেওয়া হয়নি। তার উপরে দেনা। তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন মোজাফফর। তাঁর এই অকাল মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ এলাকা।
আরও পড়ুনঃ Murshidabad Porijayi মুর্শিদাবাদের ৭ পরিযায়ী পরিবারকে ২ লক্ষের চেক সুজিত বসুর। সঙ্গে পাঠান, তাহের
এই দেহ আনার বিষয়ে ওই পরিবারের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া মতিউর রহমান বলেন, পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, তাঁদের ছেলে আত্মঘাতী হননি। খুন করা হয়েছে। এইরকম একাধিক পরিবার থেকে অভিযোগ বিভিন্ন সময় এসেছে। পরিবার অভিযোগ করলে হাইকমিশনে জানাতে বলি। আরও একজনের মৃতদেহ আটকে রয়েছে জেড্ডাতে। বহরমপুর ব্লকের হেকামপুরের বাসিন্দা সামিরুল শেখ। গত ২১ আগস্ট তাঁর মৃত্যু হয়েছে। সেখান থেকে জানানো হয় ক্রেন চাপা পড়ে মৃত্যু হয়েছে সামিরুলের।










