Murshidabad Health ‘আমাদের পাড়া আমাদের সমাধানের পর’ এবার ঘরের দুয়ারে হাসপাতাল! বাড়ির দুয়ারে ভ্রাম্যমান অ্যাম্বুলেন্স।কালী পুজোর পরেই সারা রাজ্যে, জেলায় জেলায় চালু হতে চলেছে এই প্রকল্প! বুধবার বহরমপুরে স্বাস্থ্য বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকে পর ঘোষণা বিধানসভার হেলথ স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ডাঃ নির্মল মাজির।
Murshidabad Health দিন কয়েক আগেই অ্যাম্বুলেন্স না আসায় প্রসুতি মৃত্যুর অভিযোগে তোলপাড় হয় ফরাক্কা। এবার সেই অ্যাম্বুলেন্স নিয়েই ডাঃ নির্মল মাজি জানান, “জেলায় মোট ১০৫ টা নতুন অ্যাম্বুলেন্স দেওয়া হচ্ছে। কালী পুজোর পরেই রাজ্যে হতে চলেছে ‘ ঘরের দুয়ারে হাসপাতাল, অ্যাম্বুলেন্স বাড়ির দুয়ারে।’ বড় ভ্রাম্যমান অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে মিনি অপারেশন থেকে শুরু করে স্যালাইন, অক্সিজেন, পোর্টেবল ইসিজি, এক্স রে, ইউএসজি থাকবে। ভ্রাম্যমান হাসপাতাল গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে যাবে। যাদের হাসপাতালে যাওয়ার ক্ষমতা নেই, যারা বরিষ্ঠ তাদের চিকিৎসা হবে।”

Murshidabad Health মুর্শিদাবাদ জেলার স্বাস্থ্য পরিষেবা, পরিকাঠামো উন্নয়নে সার্কিট হাউসে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়। স্বাস্থ্য স্ট্যান্ডিং কমিটির প্রতিনিধি দল, জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক, মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল সুপার, মুর্শিদাবাদ জেলা শাসক, প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তি, জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে হয় বৈঠক।
হেলথ স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ডাঃ নির্মল মাজি জানান, মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ক্যানসারের চিকিৎসায় এসেছে আধুনিক inear accelerator মেশিন। দ্রুত কার্যকর করার নির্দেশ। স্বাস্থ্য কর্মী থেকে নিরাপত্তা কর্মীদের কাজে কোনরকম ফাঁকি নয়। বাড়তি নজর থাকবে তাদের সুযোগ সুবিধার ক্ষেত্রেও। হাসপাতাল চত্বরে পর্যাপ্ত পরিমাণে সিসিটিভি ক্যামেরা আছে। কমিউনিটি টয়লেট, ফিমেল টয়লেট, পরিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা, নার্সিং স্টাফদের রেস্ট রুম- বিভিন্ন পরিষেবায় জোর দেওয়া হচ্ছে।
Murshidabad Health এছাড়াও প্রাতিষ্ঠানিক প্রসবের ক্ষেত্রে আশার বানী শোনান তিনি। ডাঃ নির্মল মাজি জানান, প্রাতিষ্ঠানিক প্রসবের ক্ষেত্রে সংখ্যাটা ৯৭% ক্রস করে গেছে। ১০০% ইন্সটিটিউশানাল ডেলিভারি সারা রাজ্যে। সেটার ব্যাপারেও জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সদর্থক ভূমিকা নিয়ে কিছু কিছু জায়গায় যেখানে বাড়িতে প্রসব হচ্ছে বেশী সেখানে কাউন্সিলিং, জন সচেতনতার চেষ্টা চলছে।
এছাড়াও “স্বাস্থ্য সাথী কার্ডে নার্সিংহোমে রোগী ভর্তি নিয়েও কড়া বার্তা দেন। বলেন, ” প্রথমে অ্যাপ্যায়ন দুদিন পরেই বলবে কিছু পয়সা দিন! স্বাস্থ্য সাথীর নিয়ম অনুযায়ী আর ট্রিটমেন্ট পাবেন না! এটা নার্সিং হোমের অসৎ আচরণ। কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে”। তিনি আরও বলেন, ” কলকাতায় একজন বিচারকের নেতৃত্বে হেলথ রেগুলেটরি কনট্রোল আছে। নার্সিংহোমের লাইসেন্সও কেড়ে নেওয়া হবে। লাইসেন্সের নবীকরণও বন্ধ করে দেওয়া হবে, পর্যাপ্ত ফাইন নেওয়া হবে।”
এছাড়াও হাসপাতালে চিকিৎসকদের উপর হামলার ঘটনা, সরকারি চিকিৎসা যন্ত্রপাতি, আসবাবপত্র ভাঙচুরের মতো ঘটনা ঘটলেও আর বরদাস্ত নয়। সাফ জানানো হয়। নির্মল মাজি বলেন, ” কেউ এই ধরনের ঘটনা ঘটালে তার অ্যা কাউন্ট থেকে ক্ষতিপূরণের টাকা নিয়ে নতুন করে কিনে দেওয়ার আইন হয়েছে, কার্যকর করার জন্য বলা হয়েছে।”
মুর্শিদাবাদ জেলার ডেঙ্গু পরিস্থিতি কী? উত্তরে তিনি জানিয়েছেন, ডেঙ্গু পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে, আগের থেকে অনেক ভালো। ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা একটিও নেই। ডেঙ্গু প্রবন যে হাসপাতাল, ওয়ার্ডগুলো সেখানে প্রতিটি বেডে বেডে মশারি দেওয়া হয়েছে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রনে আছে, ছড়াচ্ছে না।














