নিজস্ব সংবাদদাতা, নবগ্রামঃ কংগ্রেসের অধীর চৌধুরী ও সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিমের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদের মধ্যেই সাগরদিঘিতে বিস্ফারিত মীনাক্ষী। তিনি অবশ্য বাম ও কংগ্রেস ছেড়ে যাওয়া দুই বিধায়ক বাইরন বিশ্বাস ও কানাই মন্ডলকে এদিন নিশানা করেন। রবিবার বাম যুব সংগঠন ডিওয়াইএফের রাজ্য সম্পাদক মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় পলসন্ডায় ইনসাফ যাত্রার পথসভা করছিলেন। সেখানে তিনি সাগরদিঘির বিধায়ক বায়রন বিশ্বাসকে আক্রমণ করেন। বলেন, “কেউ কেউ আবার হাত ছেড়ে চলে যায়।মানুষের ভোটে জিতে দেড় পয়সার এমএলএ হয়েছিল। সেও চলে গিয়েছে তৃণমূলে।” তিনি আরও বলেন, “বুকে ধক কোমড়ে জোর আর মেরুদন্ড সোজা রাখতে হবে। তবেই মানুষের জন্য লড়াই করা যায়।” সাগরদিঘির উপনির্বাচনে বামেদের সমর্থনে কংগ্রেসর টিকিটে জিতে তৃণমুলে নাম লিখিয়েছেন বাইরন। সেদিকেই ছিল মীনাক্ষীর ইঙ্গিত। এ ব্যাপারে বায়রন বিশ্বাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ব্যাস্ত থাকায় কোনও উত্তর মেলেনি।
একইভাবে নবগ্রামের বিধায়ক কানাই মন্ডলকেও পাঁচগ্রামে শানিত আক্রমণ করেন এই যুবনেত্রী। রাজ্যের পালাবদলের পর সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে গিয়েছেন কানাই। সেদিকে তীর তাক করে মীনাক্ষী বলেন, “সাগরদিঘির এমএলএ হোক আর নবগ্রামের এমএলএ হোক, সে বামেদের ঘর থেকে হোক আর কংগ্রেসের ঘর থেকেই হোক, ঘর ছেড়ে ওই ঘরে গিয়ে আমাদের রক্তঘামের টাকায় সব দেড় পয়সার এমএলেরা নিজেদের ভুঁড়ি বানাচ্ছে। রাজ্যের মানুষের সঙ্গে, বিধানসভার মানুষের সঙ্গে বেইমানি করছে।” পাল্টা মীনাক্ষীকে সিপিএমের “কানা মামা” বলে কটাক্ষ করেন কানাইও। তিনি বলেন, “ আমরা মানুষের ভোটে জিতে বিধায়ক হয়েছি। প্রবাদ আছে নেই মামার থেকে কানা মামা ভাল। সিপিএমের আজ আর কোনও মুখ নেই। ওই একমাত্র কানামামা। তাই তাঁকে বলব ধক থাকলে নবগ্রামে নির্বাচনে দাঁড়িয়ে জিতে দেখাক।”














