নিজস্ব প্রতিবেদনঃ ফের পরিযায়ী শ্রমিকরা (Migrant Workers) আটকে বিদেশে। বাড়ি ফেরার জন্যে অসহায় আকুতি। এবারও ১১ জন। ওমান থেকে এখনও ফিরতে পারেননি মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ১১ জন শ্রমিক। এবার ঘটনাস্থল দুবাই (Dubai)।
আরও পড়ুনঃ Murshidabad Cooperative: কালোবাজারি রুখতে রাসায়নিক সার বিক্রির সোসাইটি বাড়ানো হচ্ছে
ভিডিও বার্তায় ওই শ্রমিকরা মুশকিলে ফেঁসে গেছি বলে সাহায্য চেয়েছেন। ওই ১১ জন শ্রমিকের মধ্যে মুর্শিদাবাদের ২ জন, নদীয়ায় ৬ জন, উত্তর ২৪ পরগনার ৩ জন রয়েছেন। মুর্শিদাবাদের দু’জন নওদা, হরিহরপাড়া ব্লকের। ১৭ সেপ্টেম্বর তাঁরা দুবাই পৌঁছয়। গত ৮ নভেম্বর থেকে অসহায় হয়ে রয়েছেন। অভিযোগ যে শর্তে নিয়ে গিয়েছিল কোম্পানি তার থেকে বেশি পরিশ্রম করাচ্ছে। যা করা তাদের পক্ষে মুশকিল। এমনকী যে কোম্পানির নামে কাজে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সেই কোম্পানিতে তাঁরা কাজ পায়নি বলে অভিযোগ।
Murshidabad Labour Dubai ভিডিও বার্তায় শ্রমিকেরা আরও বলেছেন, আমরা এখানে এসে খুব মুশকিলে ফেঁসে গিয়েছি। আমাদেরকে যে কোম্পানি বলা হয়েছিল সেই কোম্পানিও নয়। যে টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল সেই টাকাও দিচ্ছে না। তারপরে আমাদেরকে পুলিসে দেওয়া হয়। আমরা ভারতে ফেরত যেতে চাই বলাতে কোম্পানি আমাদেরকে জানিয়েছে আমাদেরকে দুবাইয়ের মুদ্রায় সাড়ে ৪ হাজার ডারহাম (ভারতীয় টাকায় ১ লাখ টাকার বেশি) দিয়ে এখান থেকে যাও। আমরা কাজ বন্ধ করে দিয়েছি। তারপরে আমাদেরকে ৮ তারিখ ঘর থেকে বের করে দেওয়া হয়। পুলিসের কাছে গেলে পুলিস বলেছে লেবার কোর্টে যাও। আমরা এখানে কোনও কোর্ট চিনি না, জানি না। আমাদের কাছে টাকা নেই। খাবার কিছু নেই। লেবার কোর্টে গেলে বলেছে সিম নিতে। এখানে আইডি নেই। কী করে সিম নেব? যে কোনও উপায়ে আমাদেরকে ভারতে পাঠিয়ে দাও এটাই অনুরোধ।
Murshidabad Labour Dubai শ্রমিকদের অভিযোগ, তাঁদের আট ঘণ্টায় ১৪০০ ডারহাম অর্থাৎ ৩৪ হাজার ৩০০ টাকা বেতন দেব বলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এসে দেখি ১২ ঘণ্টা ডিউটি করতে হচ্ছে। থাকার জায়গার সমস্যার কথাও জানিয়েছেন শ্রমিকেরা। কর্ণসুবর্ণ ওয়েলফেয়ার সোসাইটিকে যে চিঠি তাঁরা লিখেছেন তাতে এই অভিযোগ জানিয়েছেন। ওই সোসাইটির সম্পাদক মতিউর রহমান মঙ্গলবার জানান, ওরা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে। আমি এদিন সংশ্লিষ্ট জায়গায় বিষয়টি জানিয়েছি। উল্লেখ্য, বারবার পরিযায়ী শ্রমিকদের হেনস্তার খবর সামনে আসছে। কবে বন্ধ হবে?










