এখন খবরমধ্যবঙ্গ নিউজপরিবেশবিনোদনহেলথ ওয়াচখেলাঘরে বাইরেলাইফস্টাইলঅন্যান্য

Migrant Worker দাদন নিয়ে দিল্লি গিয়ে পরিযায়ী শ্রমিকের একি পরিণতি !

Published on: November 3, 2025
Migrant Worker

Migrant Worker  দাদন নিয়ে দিল্লিতে কাজে গিয়ে প্রাণ গেল এক পরিযায়ী শ্রমিকের।  ফের মুর্শিদাবাদের এক পরিযায়ী শ্রমিকের পরিবারে নেমে এল বিপর্যয়। মাস খানেক আগে দিল্লিতে কাজে গিয়েছিলেছেন ধুলিয়ানের বাসিন্দা সামসুদ্দিন মোমিন । দিল্লিতেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ যায় তাঁর। সামসুদ্দিনের সঙ্গে থাকা এলাকার অন্য পরিযায়ী শ্রমিকদের মারফৎ   অসুস্থতার খবর পায় পরিবার। ১ নভেম্বর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় পরিযায়ী শ্রমিকের। ধুলিয়ান পৌরসভার লক্ষীনগর ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাড়িতে সোমবার মৃতদেহ ফেরে।

আরও পড়ুনঃ Kafala Stop সৌদিতে বন্ধ ‘কাফালা’। কাফিলদের অত্যাচার কমবে ?   

Migrant Worker কী দাবি শ্রমিক পরিবারের ?

কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। কাজ নিয়ে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে ! স্থানীয়  ঠিকাদারের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলছে মৃতের পরিবার। মৃতের ছেলে খেউলু মোমিন বলেছেন, ” বাবাকে রাত ১১ টা অবধি কাজ করানো হয়েছিল। ঠিক মতো চিকিৎসা করা হয় নি। মারা যাওয়ার পর বলা হয়েছিল, দেহ নিতে চল্লিশ হাজার টাকা দিতে হবে। পরে আবার বলেছে পনেরো হাজার টাকা দিতে হবে। বাবাকে রাতদিন কাজ করাতো। দেরি হলে মারধর করা হতো”।

Migrant Worker সামসুদ্দিন মোমিণের  স্ত্রী মিনু বিবির দাবি, স্বামী কাজ করতে করতে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। আমাকে বলা হয় নি।  মরদেহ ফিরিয়ে দিতেও টালবাহানা করছিলেন । বলা হচ্ছিল,১৬ হাজার টাকা দিতে হবে।  থানায় যাওয়ার পর দেহ ফেরানো হয়েছে। ঠিকাদার নুর ইসলাম সেখ ওরফে পুটু দাবি করেছেন, ২০ হাজার ৩০০ টাকা অ্যাডভান্স ( দাদন) হিসেবে  শ্রমিককে দেওয়া হয়েছিল। সেই টাকাই প্রথমে চাওয়া হয়েছিল। জানিয়েছেন গাজিয়াবাদে Ghaziabad  পাঠানো হয়েছিল। ২৫-২৬ দিন কাজও করে।

 

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now