এখন খবরমধ্যবঙ্গ নিউজপরিবেশবিনোদনহেলথ ওয়াচখেলাঘরে বাইরেলাইফস্টাইলঅন্যান্য

Kandi TMC ভোটের আগেই দলবদলে তৃনমূলে বনু খান, “দাদা-ভাই সম্পর্ক” বললেন অপূর্ব

Published on: March 12, 2026
Kandi TMC

Kandi TMC  বিধানসভা ভোটের আগেই মুর্শিদাবাদে দলবদলের হিড়িক! এবার কান্দিতে প্রাক্তন বিধায়কের দলবদল। এই দলবদলে কি বেসামাল কংগ্রেস?  মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এই প্রশ্ন।  ২০১৯ সালের উপনির্বাচনে কান্দিতে কংগ্রেসের টিকিটে ভোটে লড়াই করেন এবং জয়ী হন সফিউল আলম খান। তবে ২০২১ এ প্রার্থী হলেও  অপূর্ব সরকারের কাছে পরাজয় ঘটে তাঁর। সেই বনু খানই এবার তৃণমূলে। বুধবার সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিক ভাবে কান্দির বিধায়ক অপূর্ব সরকার, কান্দি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পার্থ প্রতিম সরকার ও তৃনমূল নেতা কর্মীদের হাত ধরে তৃনমূলের পতাকা ধরলেন সফিউল আলম খান।

Kandi TMC ভোটের আগে তৃনমূলে কান্দির প্রাক্তন বিধায়ক, কংগ্রেসের সফিউল আলম খান

কংগ্রেস ছেড়ে তৃনমূলে যোগদান প্রাক্তন বিধায়ক সফিউল আলম খানের

 

Kandi TMC ভোটের মুখেই কান্দিতে বনু খানের তৃনমূলে যোগদান নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও চর্চা প্রবল। গত কয়েক বছরের ভোটের ট্রেন্ড কী বলছে?  কান্দি বিধানসভা এক সময় কংগ্রেসের শক্ত ঘাটি থাকলেও গত কয়েকটি নির্বাচনে সেখানে শক্তিক্ষয় হয় কংগ্রেসের। ২০১৯ এর বিধানসভা উপনির্বাচনে কান্দি বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থীকে প্রায় ২১ হাজার ভোটে হারিয়ে জয়ী হন কংগ্রেস প্রার্থী সফিউল আলম খান। তবে পরের বিধানসভা নির্বাচনে এই আসন হাতছাড়া হয় কংগ্রেসের। ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে এখানে জয়ী হন তৃণমূল প্রার্থী অপূর্ব সরকার। এখানে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে বিজেপি। বিজেপির থেকে তৃণমূলের লিড ছিল প্রায় ৩৮ হাজার। কংগ্রেস এখানে তৃতীয় স্থানে চলে আসে। ২০২৪ এর লোকসভা ভোটেও এই আসনে এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস। কংগ্রেস দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও প্রায় ১৩ হাজার ভোটে লিড পেয়ে প্রথম স্থানে ছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তৃতীয় স্থানে চলে যায় বিজেপি। গত বিধানসভা হোক বা লোকসভা, দুই ভোটেই এই কেন্দ্রে এগিয়ে তৃণমূল, পিছিয়ে কংগ্রেস। এর মাঝেই প্রাক্তন বিধায়কের কংগ্রেস ত্যাগ। কেন হাত ছাড়লেন বনু খান?

Kandi TMC  কী দাবি সফিউল আলম খানের ?

Kandi TMC ভোটের আগে তৃণমূলে যোগদান প্রসঙ্গে সফিউল আলম খান বলেন, ” কংগ্রেসে থেকে সম্মানও পাওয়া যাচ্ছে না। কোন কাজকর্ম করতে পারছিনা। সেখানটায় অপূর্ব সরকার আমার ভাই ডেভিড তাঁর যা কার্যকলাপ, যা মানসিকতা, সেইসঙ্গে পৌরসভার যে চেয়ারম্যান স্বচ্ছ ভাবমূর্তির, তাদের সাথে যোগাযোগ করে এবং যারা আমার  পুরনো সঙ্গী,  একসঙ্গে ছিলাম আবার একসঙ্গে হয়ে গেলাম। এর আগে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার পরে মানসিকভাবে শান্তি পাচ্ছিলাম না।  যখনই ডেভিড, দেবাশিস দা-র সঙ্গে দেখা হত,  কথা হত কিন্তু সেই কথার মধ্যে কোন আন্তরিকতা থাকত না। আজকে পুরনো স্মৃতি রোমন্থন করার জন্য, মন খুলে কথা বলতে পারব।  এক টিমে থেকে মানুষের কাজটাও করতে পারব।”

কান্দির প্রাক্তন ও বর্তমান বিধায়ক

 

Kandi TMC  “ও প্রাক্তন, আমি বর্তমান, এই সম্পর্কটা আমাদের নয়! সম্পর্ক দাদা ভাইয়ের” অপূর্ব সরকার

Kandi TMC  পরিসংখ্যানে এগিয়ে থাকলেও প্রাক্তন বিধায়ককে দলে টেনে সামনের বিধানসভা নির্বাচনে আশাবাদী তৃণমূলও। বহরমপুর মুর্শিদাবাদ জেলা তৃনমূল কংগ্রেস সভাপতি অপূর্ব সরকার বলেন, ” ও প্রাক্তন আমি বর্তমান- এই সম্পর্কটা আমাদের নয়! সম্পর্ক দাদা ভাইয়ের, পারিবারিক। রাজনৈতিকভাবে আবার এক জায়গায় এসেছি। মুর্শিদাবাদ জেলার কংগ্রেস হচ্ছে মোদী কংগ্রেস। কাজ করার সুযোগ নেই। ফলে যারা মানুষের কাজ করতে চায় এই জেলায় তারা তৃনমূলে আসবে এটা স্বাভাবিক ঘটনা। আগামী দিন তৃনমূল শক্তিশালী হবে, সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে লড়বে ধর্ম নিরপেক্ষতার পক্ষে। ”

Kandi TMC  যোগদানকে আমল দিতে নারাজ কংগ্রেস !

Kandi TMC যদিও এই যোগদানকে আমল দিতে নারাজ কংগ্রেস। কংগ্রেস নেতৃত্বের দাবি কিছুদিন থেকেই তৃণমূলের সাথে যোগাযোগ রাখছিলেন সফিউল আলম খান। তাই দল আগেই তাকে মহকুমা সভাপতির পদ থেকে সড়িয়ে দিয়েছে। মুর্শিদাবাদ জেলা কংগ্রেস মুখপাত্র জয়ন্ত দাস বলেন, ” এই খবরটা অনেকদিন ধরেই ছিল যে হয়তো বনু খান তৃনমূলে যোগ দিতে পারেন। এমনও হতে পারে তাঁর পৌরসভায় অনেক টাকা ট্যাক্স বাকি আছে সেগুলো মুকুব হয়ে যেতে পারে।  কান্দি মার্কেটের উপরে তাঁর কোন ব্যবসা ভবিষ্যতে করতে যাবে, তার জন্য হতে পারে!  টিকিট পেলে কংগ্রেসে আছি আর না টিকিট পেলে কংগ্রেসে নেই!  তৃনমূল যেন প্রতিটা বিধানসভায় ১০, ১২ টা করে বিধায়ক তৈরি করে।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now