এখন খবরমধ্যবঙ্গ নিউজপরিবেশবিনোদনহেলথ ওয়াচখেলাঘরে বাইরেলাইফস্টাইলঅন্যান্য

Kandi Case কান্দির ঘটনায় কাকে দায়ী করলেন অধীর ?

Published on: November 4, 2025
Kandi Case

Kandi Case মুর্শিদাবাদের কান্দির ঘটনায় তৃণমূলের সুরেই নির্বাচন কমিশনকে Election Commission  দায়ী করলেন বহরমপুরে প্রাক্তন সাংসদ অধীর চৌধুরী। এই ঘটনায় আগেই বিজেপিকে দায়ী করেছে তৃণমূল। যদিও নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি, বিজেপি-তৃণমূল দুই দলকেই দায়ী করেছেন অধীর।

আরও পড়ুনঃ 2002 Voter List ২০০২ সালের মুর্শিদাবাদের ভোটার লিস্ট দেখবেন কীভাবে ?

Kandi Case কী দাবি করছেন অধীর ?

অধীর বলেছেন, ” পশ্চিমবঙ্গে এই নিয়ে পাঁচ থেকে ছয় জনের মৃত্যু হয়ে গেল। ভারত বর্ষে বিহারেও এসআইআর হয়েছে। কিন্তু সেখানে এসআইআর’এর ভয়ে আত্মহত্যার এই ধরনের ঘটনা ঘটেনি। আরও ১১ টি রাজ্যে হচ্ছে। এসআইআর করার নামে সাধারণ মানুষের মধ্যে আটক তৈরি হয়েছে। এই আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য সব থেকে প্রথমে আমি দায়ী করবো নির্বাচন কমিশনকে”।

অধীর আরও বলেছেন, “মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা তুলে ধরতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। তাই মানুষ তাঁদের বিশ্বাস করছে না। কংগ্রেস রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে সড়ক থেকে সদর, রাস্তা থেকে কোর্ট সচেতনতার বাতাবরণ তৈরি করেছে। সুপ্রিম কোর্ট হস্তক্ষেপ করেছে। আমরা মনে করি, যা খুশি তাই করা যাবে না”।

এরপর যদিও অধীর চৌধুরী দাবি করেছেন তৃণমুল আর বিজেপি এসআইআরকে হাতিয়ার করে মল্লযুদ্ধ করছে। তার পরিণামে মানুষের  মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে। সেই কারণেই এই ধরণের ঘটনা ঘটছে। এই আতঙ্কের কোনও ভিত্তি নেই। অধীর আরও বলেছেন, “তৃণমূল, বিজেপির বিভ্রান্তি তৈরি করার রাজনীতি থেকে বেড়িয়ে আসতে হবে”।

এদিন অধীর আরও দাবি করেছেন, মমতা বন্দোপাধ্যায়ই প্রথম অনুপ্রবেশকারী তত্ত্ব এনেছিলেন অধীর বলেছেন, “একজন বৈধ ভোটারের নাম কাটা যাবে না। প্রদেশ কংগ্রেস অফিসে হেল্প লাইন খোলা হয়েছে। মুর্শিদাবাদে ৫ টা হেল্প লাইন চালু হয়েছে”। অধীর দাবি করেছেন, রাজ্য সরকারের উচিত মানুষকে সচেতন করা। সেটা না করে মুখ্যমন্ত্রী মিছিল করছেন।

Kandi Case কী বলছে তৃণমূল বিজেপি ?

Kandi Case এই ঘটনায় শুরু রাজনৈতিক তরজা। হাসপাতালে যান কান্দির তৃণমূল বিধায়ক, তৃণমূল কংগ্রেসের বহরমপুর মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি অপূর্ব সরকার। অপূর্ব সরকার বলেছেন, ” মোহন সেখ বংশপরম্পরায় কান্দির বাসিন্দা। ২০০২ এর ভোটার তালিকায় তাঁর নাম নেই। আতঙ্কে ছিলেন। সকালে বিএলওর সঙ্গে দেখা করেছেন। প্রতিবেশীরা বোঝানোর চেষ্টা করেছেন। তাও মাঠে গিয়ে কীটনাশক খেয়েছে”। তিনি বলেছেন, ” বিজেপি নেতারা বলছে, যাদের নাম নেই তাঁদের তুলে ফেলে দেওয়া হবে। মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে। আমরা আজও একটা প্রাণ হারালাম। তাই মুখ্যমন্ত্রী, অভিষেক বন্দোপাধ্যায় রাস্তায় নেমেছেন। এটাই আমাদের প্রতিবাদ”।

অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসকে ময়দান ছাড়তে নারাজ বিজেপি। বিজেপি নেতা শাখারভ সরকার,” কেউ কোন কারনে আত্মহত্যা করলে তৃণমূল বলছে, এসআইআর’এর জন্য এই কাজ করেছে। শকুনের চোখ কোথায় থাকে ? তৃণমূলের চোখ সেখানেই। এসআইআর’এর জন্য কেউ মারা যায় নি”। তাঁর দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস ভার্চুয়াল বৈঠক করে এই পরিকল্পনা করছে তৃণমূল। শ্মশান ঘাটে নজর রাখছে তৃণমূল নেতারা।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now