মধ্যবঙ্গ নিউজডেস্কঃ শেষ পর্যন্ত কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্রের সাংসদ পদ খারিজই হয়ে গেল ধ্বনি ভোটে। লোকসভা থেকে বহিস্কার করা হল তৃণমূলে কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলা সভাপতিকে। “ক্যাশ ফর কোয়েশ্চন” কান্ডে শুক্রবার দুপুর বারোটায় লোকসভার শীতকালীন অধিবেশনে স্পিকার ওম বিড়লার কাছে এথিক্স কমিটির রিপোর্ট জমা পড়ে। হাতে দুঘন্টা সময় বেঁধে দিয়ে লোকসভার সদস্যদের কাছে সেই রিপোর্টে চোখ বোলাতে বলেন স্পিকার। বেলা দু’টোয় সেই রিপোর্টের ওপর আলোচনা হয় হাউসে। তৃণমূল ও কংগ্রেস সেই রিপোর্ট পড়ে দেখবার জন্য স্পিকারের কাছে সময় চাইলেও সেই সময় দেওয়া হয় নি বলেই অভিযোগ। কেন্দ্রের মোদি সরকারের বিরুদ্ধে নারী বিদ্বেষের অভিযোগ তুলে লোকসভার বাইরে সরব হন মহুয়া। এদিকে জেলা সভাপতির সাংসদ পদ খারিজ হওয়ায় জেলায় প্রভাব পড়বে বলে মনে করেন নাকাশিপাড়ার বিধায়ক কল্লোল খাঁ। তিনি বলেন, “জেলায় দলীয়ভাবে নিশ্চিত কিছুটা প্রভাব পড়বে।“ প্রসঙ্গত, সংসদে বিতর্ক শুরু হতেই অবশ্য দল তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিল। দলের কৃষ্ণনগর সংগঠনের সভাপতি কল্লোল খাঁকে সরিয়ে তাঁকে সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নভেম্বরে। এদিন সাংসদকে বহিস্কারের পর যদি শাস্তি হিসেবে আর তিনি লোকসভা নির্বাচনে দাঁড়ানোর সুযোগ নাও পেতে পারেন। তখন তাঁকে সংগঠনের কাজে পুরো মাত্রায় কাজে লাগানো হতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কল্লোল অবশ্য বিষয়টি রাজ্য নেতৃত্বের উপরেই ছেড়ে দিয়েছেন।
মহুয়ার সাংসদ পদ খারিজে জেলায় দলে প্রভাব পড়বে বলে দাবি কল্লোল খাঁর
Published on: December 8, 2023











