বহরমপুরে ক্লাবের কালী প্রতিমা দেখতে ভিড়
নিজস্ব প্রতিবেদন, বহরমপুরঃ মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলায় খেলাধুলোরও ঐতিহ্য রয়েছে। পরবর্তীতে ক্লাব সংস্কৃতি তৈরি হয়। সেসময় ক্লাবগুলিকে ঘিরেই আবর্তিত হতো খেলাধুলো। নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতাও হতো। তাতে উন্নত হতো ক্রীড়া সংস্কৃতি। নির্মল আনন্দ পেতেন মুর্শিদাবাদবাসী। বিশেষ করে বহরমপুর সদর শহরে এই রেওয়াজ চালু হয়। অনেক ক্লাব সময়ের স্রোতে হারিয়ে গেলেও আজও খেলার জন্যে পরিচিতি ক্লাবের। জেলাজুড়ে খেলাধুলোর সঙ্গে অনেক ক্লাব যুক্ত। তাদের মধ্যে জেলা ক্রীড়া সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ক্লাবগুলো বিভিন্ন খেলার প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। ফুটবল, হকি, ভলিবল, কাবাডি, অ্যাথলেটিক্স সহ ব্যাডমিন্টন, নেটবলের মতো খেলার আয়োজন হয়। ওই ক্লাবগুলিতে এখন শ্যামা মায়ের আরাধনা।

আরও পড়ুনঃ MSD T20 : সিএবির আন্তঃজেলা টি টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলা বহরমপুরে
Murshidabad Club Kalipuja কালীপুজো (Kalipuja) দেখতে ক্লাবে দর্শনার্থীদের ভিড়। এক সময় এই সব ক্লাবের সঙ্গে এই কালীপুজোকে ঘিরে বড় বড় রাজনৈতিক নেতাদের নাম জড়িয়ে থাকতো। বহরমপুরের কোনও ক্লাব অধীর চৌধুরীর, তো কোনও ক্লাব ছিল সুদীপ ব্যানার্জীর নামে। ক্লাবকে ঘিরে রাজনীতির সেই দাপট না থাকলেও কালীপুজোর ঐতিহ্য অটুট।
Murshidabad Club Kalipuja শুরুটা হয় বাংলার বছরের প্রথম দিনেই। মাঠে পুজো দিয়ে ফুটবল ও অন্যান্য খেলার সরঞ্জাম নিয়ে শুরু হয় দলের সঙ্গে কর্মকর্তাদের সংযোগ। ইতিমধ্যেই শেষ ফুটবলের লিগ, নক-আউটের খেলাগুলি। তারপরেই আসে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। মানুষ আনন্দে মেতে ওঠেন। অন্যান্য বারের মতো এবারেও বিজয়া সম্মিলনী পালন করে বেশ কয়েকটি ক্লাব। ইতিমধ্যে ভেটারেন্স ক্লাব তা করেছে। প্রধান উদ্যোগ নিয়েছিলেন ক্লাবের সদস্য বাবলু ও সুনীল। সবাইকে এক জায়গায় করার এই কারিগর দীর্ঘ ২৫ বছর এই কাজ করে আসছেন। এরপরে কালীপুজো। শক্তিদেবীর আরাধনায় ক্লাবগুলি নিজেদের ঘরে বা ক্লাবের মাঠে আয়োজন করে কালীপুজো বা শ্যামাপুজো। কোনও ক্লাব ৪০ বছর, কোনও ক্লাব ৫০ বছর ধরে। মায়ের আশীর্বাদ নিতে পুজোতে মেতে ওঠেন ক্লাব সদস্য, সমর্থক ও কর্মকর্তাদের নিয়ে। এবছরও বহরমপুর সহ জেলাতে খেলাধুলোর সঙ্গে পরিচিত ক্লাবগুলিতে পুজোকে ঘিরে নানা অনুষ্ঠান হয়েছে। ভোগ বিতরণ হয়েছে। অনেক দর্শনার্থী এই সব পুজো দেখতে আসেন। বৃহস্পতিবার ভাইফোঁটার দিনেও অনেক মণ্ডপে রয়েছে কালী প্রতিমা।









