Jangipur Municipality জাকির হোসেনের সমর্থকদের উল্লাস
Jangipur Municipality: বিধানসভা ভোটের আগে ভেঙে দেওয়া হল জঙ্গিপুর পুরসভা। বসানো হল প্রশাসক (Administrator in Jangipur Municipality)। মহকুমাশাসক সুধীর কুমার রেড্ডিকে বসানো হয়েছে প্রশাসক পদে। আগেই করা হয়েছিল শোকজ। শুক্রবার পুরবোর্ড ভেঙ্গে দেওয়া হল। এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে পুরসভার Jangipur Municipality চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম এদিন সন্ধ্যায় বলেন, পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর থেকে একটা চিঠি এসেছে। কলকাতা থেকে ফিরছি। দেখে বলতে পারব।
আর পড়ুনঃ Humayun Kabir: ২২ এর মিশন ২৬, রেকর্ড সমাবেশঃ হুমায়ুন উবাচ

Jangipur Municipality: ২৬ নভেম্বর দেওয়া হয়েছিল শো-কজ নোটিশ। ১৯ শে ডিসেম্বর ভেঙে দেওয়া হল তৃণমূলের জঙ্গিপুর পৌরসভার বোর্ড। উল্লেখ্য, ২৬ নভেম্বর জঙ্গিপুর পৌরসভার কাউন্সিলারদের শোকজের নোটিশ পাঠিয়েছিল রাজ্য সরকারের পৌর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর। শোকজের চিঠিতে বলা হয়েছিল , জঙ্গিপুর শহরে বেহাল রাস্তার অবস্থা, পৌরসভার রাস্তার হচ্ছে না নিয়মিত মেরামতি, ড্রেন পরিষ্কার করছে না জঙ্গিপুর পৌরসভা। এর আগে জঙ্গিপুর পৌরসভার অনাস্থা নিয়েও তৈরি হয় জটিলতা।
Jangipur Municipality চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলামের সঙ্গে বিধায়ক জাকির হোসেনের দ্বন্দ্ব বারবার সামনে এসেছে
Jangipur Municipality: জঙ্গিপুর পৌরসভা নিয়ে তৃণমূলের দুই পক্ষের কোন্দলও প্রকাশ্যে এসেছে একাধিকবার। পৌরসভার চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলামের সঙ্গে বিধায়ক জাকির হোসেনের দ্বন্দ্ব বারবার সামনে এসেছে। হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করে দলও। তবে কোন্দল না মেটায় এবার পৌরসভার বোর্ড ভেঙে দিল রাজ্য সরকারের পৌর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর! উঠছে প্রশ্ন। এদিন জাকির হোসেনের সমর্থকদের উচ্ছ্বাস শুরু হয়ে যায়। মিষ্টি বিলি করতে থাকেন তাঁরা। জাকির হোসেনকে গলায় ফুলের মালা পরিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। জঙ্গীপুর পুরসভার সামনেও উল্লাসে মাতেন সমর্থকরা। তাঁরা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে স্লোগান দিতে থাকেন।

Jangipur Municipality কী বক্তব্য বিধায়ক জাকির হোসেনের?
এই বিষয়ে জাকির হোসেন বলেন, অপশাসন চলছিল। শাসন এসেছে। তাই গণতন্ত্রের উৎসব। মানুষ চাইছিলেন কবে যাবে? এতে সাধারণ মানুষের জয় হয়েছে। আমার দীর্ঘ এক-দেড় বছরের লড়াই। আজকে আমি সার্থক হয়েছি। আমার খুব ভালো লাগছে। তিনি অভিযোগ তোলেন, আমি ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি বোমা খেয়েছিলাম। অসুস্থ হওয়ার ফাঁকে যে দুর্নীতিগুলি হয়েছে, ড্রেন হয়নি ঠিক মতো। এলাকায় পরিষ্কার হয়নি। আবাসে দুর্নীতি। রাস্তায় দুর্নীতি। এবং সাধারণ মানুষকে, মৃত লোকের নামে টাকা নেওয়া হয়েছে। এগুলো উপর মহলে জানিয়েছিলাম।

প্রসঙ্গত, এর আগে গত ২৬ নভেম্বর শো কজ করে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর কাউন্সিলরদের কাছে জানতে চেয়েছিল জঙ্গিপুর পুরসভার বোর্ড কেন ভেঙে দেওয়া হবে না? তখনই প্রশ্ন উঠেছিল, কৃষ্ণনগর পুরসভার মতো পরিণতি হতে চলেছে কি না জঙ্গিপুর পুরসভার।















