Jakir Hossain নাম উঠেছে চূড়ান্ত তালিকায়। নিজে হাঁফ ছেঁড়ে বাঁচলেও নির্বাচন কমিশনকে দুষলেন জঙ্গিপুরের বিধায়ক, প্রাক্তন মন্ত্রী জাকির হোসেন।তিনি বলেছেন, , “বৈধ ছিলাম। সমস্ত মানুষ বৈধ। নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি মিলে মুর্শিদাবাদ ও বাংলার মানুষকে হেনস্থা করার জন্য করেছিল। অনেকের নাম উঠেছে। যাঁদের বাদ দিয়েছে সেগুলো ওঠার মতো আছে। আগামী দিনের মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রতিটা মানুষকে সহযোগিতা দেওয়া হবে”। জাকির হোসেনের দাবি, যাঁদের নাম এখনও চূড়ান্ত তালিকায় ওঠে নি তাঁদের জন্য লড়াই করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
Jakir Hossain স্বস্তি পেলেন জাকির হোসেন
জঙ্গিপুরের বিধায়ক জাকির হোসেন ( Jakir Hossain) আর সাগরদিঘির বিধায়ক বাইরন বিশ্বাস- দুজনের নামই ছিল এসআইআরের তালিকায় “বিচারাধীন”। তবে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ হতেই হাঁফ ছেঁড়ে বাচলেন দুজনেই । বিবেচনাধীন ভোটারদের মধ্যে নিষ্পত্তি হওয়া অতিরিক্ত প্রথম তালিকার মাধ্যমে মূল ভোটার লিস্টে নাম জুড়েছে জঙ্গিপুরের বিধায়ক জাকির হোসেন, সাগরদিঘির বিধায়ক বাইরন বিশ্বাসের। দুজনেই ২০২৬-এর নির্বাচনেও তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন । মুর্শিদাবাদের প্রায় ১১ লক্ষ মানুষের নাম ছিল ভোটার তালিকায় “বিচারাধীন”। তাঁর মধ্যেই নাম ছিল ২ বিধায়কের। সোমবার প্রায় মধ্যরাতে প্রকাশিত হয়েছে বিবেচনাধীন ভোটারদের মধ্যে নিষ্পত্তি হওয়া অতিরিক্ত প্রথম তালিকা। সেই তালিকার সাপ্লিমেন্টারি লিস্টের মাধ্যমে ভোটার লিস্টে নাম ফিরল দুজনের। জাকির হোসেন জঙ্গিপুর বিধানসভার ১৯৭ নম্বর অংশের ভোটার। অন্যদিকে বাইরন বিশ্বাস সামসেরগঞ্জ বিধানসভার ১৯ নম্বর অংশের ভোটার। দুজনের নাম সাপ্লিমেন্টারি লিস্টে থাকায় মনোনয়নে জটিলতা থাকলা না বলেই আশ্বস্ত তৃণমূল।
আরও পড়ুনঃ Adhir Chowdhury “ পিছিয়ে দেওয়া হোক নির্বাচন”, কেন বললেন অধীর ?
Jakir Hossain যদিও এই ঘটনা নিয়ে নির্বাচন কমিশন, রাজ্য সরকারকে নিশানা করতে ছাড়েন নি প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী। অধীরের দাবি, রাজ্য সরকার পারে বলেই নিজের লোকেদের নাম ঠিক করে নিচ্ছে। তিনি বলেছেন, “ দুই বিধায়কের নাম উঠল তালিকায়, তার মানে টা কি রাজ্য পারে এগুলো। তারজন্য তাদের লোকগুলোকে বার করে নিয়েছে” । আরও বলেছেন, “রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আরাম সে ঝামেলা মিটিয়ে নেওয়া যেত। এখন কী করে রাজ্য পাড়ছে তাদের নিজেদের লোকদের নাম বার করে নিতে” ।










