Humayun Kabir মুর্শিদাবাদের সুতি থেকে ওড়িশায় কাজে গিয়ে নিহত পরিযায়ী শ্রমিক জুয়েল রানার বাড়িতে গেলেন হুমায়ুন কবীর। শনিবার সকালে জুয়েল রানার বাড়িতে যান ভরতপুরের বিধায়ক তথা জনতা উন্নয়ন পার্টির Janata Unnayan Party চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির Humayun Kabir। কথা বলেন নিহত পরিযায়ী শ্রমিকের পরিবারের সাথে। ব্যক্তিগতভাবে আর্থিক সহায়তাও তুলে দেন হুমায়ুন কবীর। জুয়েল রানার পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য, গত ২৪ ডিসেম্বর ওড়িশার সম্বলপুরে জুয়েল রানাকে নৃশংস ভাবে খুন করা হয় বলে অভিযোগ পরিবারের।
আরও পড়ুন– Humayun Kabir ২৬ এর শুরুতেই Murshidabad এ এমএলএ, এমপি-দের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন হুমায়ুন কবীর
Humayun Kabir সুতিতে নিহত পরিযায়ী শ্রমিক পরিবারকে সমবেদনা হুমায়ুন কবীরের
Humayun Kabir নিহত পরিযায়ী শ্রমিকের বাড়িতে গিয়ে হুমায়ুন কবীর বলেন, “পরিবারের সাথে দেখা করলাম। একটাই ছেলে ছিল। রোজগার করার জন্যই ওড়িশায় গেছিল। জুয়েল রানার মা চাকরির দাবি করেছেন। কিন্তু চাকরি দেওয়ার ক্ষমতা তো আমার নেই। এখানকার এমএলএ ইমানি বিশ্বাস আছে। তাকেও অনুরোধ করব মানবিক দিক থেকে একটা পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। যদি সম্ভব হয় ক্ষুদ্র চাহিদা আগামি দিনে নিশ্চয়ই পূরণ হবে।”

Humayun Kabir “বাঙালিরা যেদিন গর্জে উঠবে সেদিন মমতা ব্যানার্জিরও ক্ষমতা থাকবে না, কেন্দ্রের বিজেপি সরকারেরও ক্ষমতা থাকবেনা” হুমায়ুন কবীর
Humayun Kabir ভিন রাজ্যে পশ্চিমবঙ্গ তথা মুর্শিদাবাদের পরিযায়ী শ্রমিকদের হেনস্থার ঘটনায় হুমায়ুন কবীর বলেন, ” বাংলার ৩০ থেকে ৪০ লাখ লোক ওড়িশা, হরিয়ানা, দিল্লি, গুজরাট, কেরলে কাজ করতে যায়। ৭০ থেকে ৮০ লাখ লোক অন্য রাজ্য থেকে বাংলায় কর্মসংস্থান করে খায়। কলকাতায় তো বিহারীদের সংখ্যা কত আছে সবাই জানে। তাদের কোন অসুবিধা হয়না। অথচ কেন্দ্র সরকার আছে, রাজ্য সরকার আছে তাও বারবার অসহায় পরিযায়ী শ্রমিকদের কারও জীবন চলে যাচ্ছে, কাউকে হেনস্থা হতে হচ্ছে। জুয়েল রানার ঘটনার পরেই বেলডাঙার পাঁচজনকেও ওড়িশায় প্রচন্ডভাবে মারধর করা হয়েছে। বাঙালিরা যেদিন গর্জে উঠবে সেদিন মমতা ব্যানার্জিরও ক্ষমতা থাকবেনা, কেন্দ্র সরকারের বিজেপি সরকারেরও ক্ষমতা থাকবেনা।











