Humayun Kabir ভাই ফোঁটা নিয়েই ফুঁসলেন হুমায়ুন। যা বললেন তা শুনে কার্যত বিরক্ত দলের নেতারাই।
বৃহস্পতিবার বহরমপুরে ভাই ফোঁটা নিলেন ভরতপুরের তৃণমূল TMC বিধায়ক হুমায়ুন কবির। প্রায় ২০ বছর ধরে বহরমপুরের ইন্দ্রপ্রস্থের বাসিন্দা লক্ষ্মী রায় চৌধুরীর কাছ থেকে ভাই ফোঁটা নিয়ে আসছেন হুমায়ুন কবির। এদিন ফোঁটা নেওয়ার পর বিধায়ক হুমায়ুন কবির বলেন , ” আমার শতকাজের মধ্যেই এই ভাই ফোঁটা নিতে আসি। দিদি আমাকে ভাইয়ের মতো স্নেহ করেই ফোঁটা দেয়”। এরপরই দলকে নিশানা করেন হুমায়ুন কবির। জেলায় দলকে ২০ থেকে ১০ -এ নামানর চ্যালেঞ্জও দেন হুমায়ুন কবির।
Humayun Kabir কী বলছেন হুমায়ুন কবির ?
হুমায়ুন কবির বলেছেন,” ২০২৩ সাল থেকে আমার দুজন ব্লক সভাপতি সরাতে। ২০২৩ সাল থেকে বলে আসছি। কতবার চিঠি দিয়েছি, চিঠি দিয়েছি । নেতৃত্বকে কতবার বলেছি। অথচ চোরের মায়ের বড় গলা বলে প্রবাদ বাক্য আছে” । এরপর দলের নেতাদের সঙ্গে পুলিশের যোগ নিয়েও মুখ খোলেন হুমায়ুন। তারপরই বলেছেন, ” তাহলে বের করে দাও, আমি তো চাইছে বের করে দেওয়া হোক। তারপর বোঝাব এই জেলায় রাজনীতি কাকে বলে। যাদের নেতা বানিয়ে রেখেছে তাদের একেক জনের কী পজিশন আর কোথায় এসেছে। তাদেরকে কতটা সাপোর্ট দিয়ে কিভাবে সাপোর্ট দেওয়া হচ্ছে। এক নম্বর শ্রীমান অপূর্ব সরকার, শ্রীমান ভীষ্মদেব কর্মকার, শ্রীমান নিলিমেস বিশ্বাস, শ্রীমান কাউসার হোসেন, শ্রীমান ফতেমা বিবি, শ্রীমান নাজমূল মিঞা। এইসব নেতাদের ছবি দেওয়ালে টাঙিয়ে রাখছে ২৬ এর ভোটে অটোমেটিক মানুষ ভোট দিয়ে দেবে। এদের গঠন দেখে, চলা ফেরা দেখে মানুষ ভোট দিয়ে দেবে ” ।
আরও পড়ুনঃ Humayun Kabir অপূর্ব সরকারকে বেলাগাম আক্রমণ হুমায়ুন কবিরের ! আগামী দিনে বিপদ ?
Humayun Kabir মানুষ সঙ্গে। দাবি হুমায়ুনের

তিনি আরও বলেছেন, ” জেলাতে যারা মাতব্বরি মোড়ল নেতারা হয়েছে, আগামী দিনে ভোট আসলেই ঠিক বুঝে যাবে। আমাকে যদি কেউ অসম্মান করে তাহলে আমি দুটো সিটেই দাঁড়াব এবং জিতে দেখাব। ২০ আছে তো, ১০ এ যদি নামিয়ে না দিতে পারি সেদিনকে জবাব হবে, হুমায়ুন কবিরের সাথে মানুষ আছে” ।
হুমায়ুন কবিরের চ্যালেঞ্জ, ” হুমায়ুন কবিরকে সাইড করে দিক দিয়ে দেখুন কটা সিট পায়” । একই সঙ্গে দলের ছাত্র, মহিলা, সংখ্যালঘু সেলের নেতাদের নাম করে নিশানা করেছেন হুমায়ুন । বলেছেন, ‘১৫ বছর আগে কলেজ ছেড়ে দিয়েছে নাজমূল মিঞা সে ছাত্র নেতা। ফতেমা মহিলা নেত্রী তার বরকে বেলডাঙার ভোটে ঘুষি মেরে হাসপাতালে ভর্তি করে দিল, সে হচ্ছে নেত্রী। কাউসার হোসেনের বাবা আজও কংগ্রেস করে তারা হচ্ছে নেতা। এই সব নেতারা একসাথে ছবি নিয়ে ভোটে নামুক আর আমি একা ভোটে লড়বো কার কত দম আছে দেখা যাবে” । এখনও পর্যন্ত হুমায়ুনের বক্তব্যে নিয়ে প্রতিক্রিয়া আসেনি তৃণমূলের পক্ষ থেকে।















