Fake Note Case জাল নোট পাচারের জন্য মুর্শিদাবাদে আসা। কিন্তু তার পরিণতি যে কতটা ভয়ঙ্কর! তা কল্পনাও করতে পারেন নি পাচারকারী। হাতেনাতে গ্রেফতার তারপর প্রায় সাড়ে তিন বছরের মাথায় হল সাজা ঘোষণা। জঙ্গীপুর মহকুমায় এই প্রথম কোন এক মহিলার জাল নোট কাণ্ডে সাজা হল।
Fake Note Case বুধবার জঙ্গীপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালত, প্রথম ফাস্ট ট্র্যাক আদালতের এজলাসে সাজা ঘোষণা হল অভিযুক্তের। 489C ধারায় ৫ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়, দশ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয় মালদার কালিয়াচকের বাসিন্দা অভিযুক্ত সাঞ্জিমা খাতুনকে।
Fake Note Case কী অভিযোগে এই সাজা?
Fake Note Case জানা যায়, ২০২১ সালের ১১ ই ডিসেম্বর, ফারাক্কায় ঘটে রোমহর্ষক এক ঘটনা। নিউ ফারাক্কা বাসস্ট্যান্ডে ভোর রাতে বাস থেকে নামেন ঐ মহিলা। সন্দেহজনক ভাবে ঘোরাঘুরি করতে থাকেন বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায়। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ অভিযান চালায়। সন্দেহজনক মহিলাকে আটক করে তল্লাশি চালাতেই ব্যাগ থেকে উদ্ধার হয় ৪ লক্ষ্য টাকার জাল নোট। ধৃত সাঞ্জিমা খাতুনকে গ্রেফতারের পর পরবর্তীতে সুয়োমোটো মামলা হয়। দীর্ঘদিন মামলা চলার পর অবশেষে হল সাজা। তদন্তকারী অফিসারদের তথ্যের ভিত্তিতে মোট ৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণের পর দোষী প্রমাণিত হন ঐ মহিলা, সাজা ঘোষণা হল বুধবার।
Fake Note Case সরকারি আইনজীবী রাজনারায়ণ মুখার্জী জানান, ৫০০ টাকার ৮০০ পিস নোট উদ্ধার হয়। উদ্ধার হওয়া নোটগুলি যে নকল সেই রিপোর্ট আসে মেদিনীপুর থেকে। সব দিক বিবেচনা করে প্রসিকিউশন তার সমস্ত মামলা প্রমান করেছে। এই ঘটনায় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালত, প্রথম ফাস্ট ট্র্যাক আদালতের বিচারক অনিল কুমার প্রসাদ 489C ধারায় ৫ বছরের কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন।