Eid Special khejur রমজানে দেশ বিদেশের খেজুরের চাহিদা কেমন ? দাম বেশী না কম?

Published By: Imagine Desk | Published On:

Eid Special khejur  খেজুর বা Dates। সারা বছর চাহিদা থাকলেও রমজান মাসে চাহিদা বেড়ে যায় দ্বিগুণ। এবছরও ব্যতিক্রম হয়নি। অন্যান্য জায়গার মতোই শহর বহরমপুরের ফলে দোকানে, বাজারে এখন খেজুরের রমরমা। ১২০ টাকা থেকে একেবারে ৩ হাজার টাকার খেজুরের পসরা দোকানে দোকানে।  বিভিন্ন পুষ্টিগুণ থাকায় শুকনো ফল Dried Fruits এর মধ্যে অন্যতম খেজুর।  খেজুরের প্রচুর ভ্যারাইটি। সৌদি আরব, ইরান সহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর খেজুর আসে কলকাতায়। মেছুয়া ফল বাজার থেকে খেজুর চলে আসে বহরমপুরে

Eid Special khejur  কোন খেজুরের কত দাম?

Eid Special khejur খেজুরের রানি হিসেবে পরিচিত মেডজুল খেজুর- ৩ হাজার টাকা কেজি, মাবরুম খেজুর- ৫০০ গ্রাম ৬৫০ টাকা, আজওয়া খেজুর- ১৬০০ টাকা কেজি, কালমি খেজুর বা সাফাওয়ি খেজুর – ২৫০ গ্রামের দাম ২০০ টাকা, আদামা খেজুর- ৩৫০ – ৪০০ টাকা কেজি, আলু খেজুর- ১৩০ টাকা কেজি, চাটাই খেজুর- ৫০০ গ্রাম দাম ৬০ টাকা, রয়্যাল ক্রাউন- ৫০০ গ্রাম ১৪০ টাকা, অলিন্ডা খেজুর- ৫০০ গ্রাম ২০০ টাকা, মরিয়াম খেজুর- ৪০০ টাকা কেজি, ঝুমার খেজুর- ৩০০ – ২৫০ টাকা কেজি।

থরে থরে সাজানো বিভিন্ন কোম্পানির খেজুর

 

Eid Special khejur তালিকা এখানেই শেষ নয়। রয়েছে আরও ভ্যারাইটি। চাহিদা বেশী হওয়ায় স্টকও প্রচুর। গুণগত মান এবং ভ্যারাইটি অনুযায়ী বিভিন্ন খেজুরের বাজার দরও ভিন্ন। বিক্রিবাটা নিয়ে ফল ব্যবসায়ীরাও স্বস্তিতে। বাহারি খেজুরের টানে এখন ফলের দোকানে ভিড় জমাচ্ছেন ক্রেতারা। বিভিন্ন দামের বিভিন্ন ধরনের খেজুর বাজারে আসায় সাধ্যমতো পছন্দ করে নিতেও সুবিধা হচ্ছে বলেই জানান ক্রেতারা।  রমজানের ইফতারে খেজুর খাওয়ার রীতি। উপোস করার পর শরীরে জলের ঘাটতি হয়, এই সমস্যা দূর করতে খেজুর খাওয়া স্বাস্থ্যকর।

Eid Special khejur নিয়মিত খেজুর খাওয়ার উপকারিতা-

Eid Special khejur খেজুর নিয়মিত খেলে তা হজমশক্তি বৃদ্ধি করে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। 

Eid Special khejur খেজুরের কিছু উল্লেখযোগ্য উপকারিতা নীচে উল্লেখ করা হলো:
  • হজমশক্তি বৃদ্ধি ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে:
    খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা হজমশক্তি বাড়ায় এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে। 

  • রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ:
    নিয়মিত খেজুর খেলে শরীরে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী। 

  • হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখে:
    খেজুরে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো খনিজ থাকে, যা হাড়কে মজবুত করতে সাহায্য করে। 

  • রক্তশূন্যতা দূর করে:
    খেজুরে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে, যা রক্তে হিমোগ্লোবিন বাড়াতে সাহায্য করে এবং রক্তশূন্যতা দূর করে। 

  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি:
    খেজুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং বিভিন্ন রোগ যেমন ক্যান্সার, হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। 

  • ত্বকের জন্য উপকারী:
    খেজুরে ভিটামিন বি রয়েছে, যা ত্বককে সতেজ ও উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে। 

  • মানসিক চাপ কমায়:
    খেজুর মানসিক চাপ কমাতে এবং মেজাজ ভালো রাখতে সাহায্য করে। 

  • শক্তির উৎস:
    খেজুর শরীরে শক্তি যোগায় এবং ক্লান্তি দূর করে।