এখন খবরমধ্যবঙ্গ নিউজপরিবেশবিনোদনহেলথ ওয়াচখেলাঘরে বাইরেলাইফস্টাইলঅন্যান্য

Child Drowned Murshidabad: কালীপুজোর দিন কান্দীতে তলিয়ে গেল শিশু

Published on: October 21, 2025
Child Drowned Murshidabad

                                  দেহ ভাসল মাঝ রাতে, ময়ূরাক্ষীতে স্থায়ী সেতুর দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদনঃ
কালীপুজোর দিন কান্দীতে ময়ূরাক্ষী নদীর জলে ডুবে মৃত্যু হল এক শিশুর। মৃতের নাম সূর্য মাঝি (৭)। সোমবার সকালে নদীতে মাছ ধরবার ছিপ নিয়ে খেলছিল। সেই সময় জলে পড়ে যায় শিশুটি। পরে রাতে দেহ ভেসে ওঠে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নদী সংলগ্ন বাঁধের ধারে বাড়ি ওই শিশুটির। পরিবারের পেশা মাছ ধরা। শিশুটি ছিপ নিয়ে মাছ ধরার খেলা খেলতো। নদী পার হওয়ার সময় বাঁশের সাঁকোতে উঠে মাছ ধরতে গিয়ে কোনওভাবে পড়ে যায় সে। রুহা গ্রামের ওই ঘটনায় চাঞ্চল্য দেখা দেয়। ভরতপুর থানার পুলিসকে খবর দেওয়া হয়। মুর্শিদাবাদ জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে ডুবুরি আনা হয়। ডুবুরিদের টিম খোঁজ পায়নি। ডুবুরিরা চলে গেলেও গ্রামের লোক হাল ছাড়েননি। শেষমেশ রাত ১২ টা নাগাদ দেহ পাওয়া যায়। পুজোর মধ্যে ওই ঘটনায় শোকস্তব্ধ হয়ে যায় এলাকা।

আরও পড়ুনঃ Fake Account Murshidabad: বড় অভিযান, ১০০০ অ্যাকাউন্ট সরানো হল…

Child Drowned Murshidabadমৃত শিশুর দাদু মঙ্গলবার সকালে বলেন, আমার মেয়ের ছেলে। রুহা থেকে চাঁদপুর গ্রাম যাওয়ার জন্যে নদীর মাঝ দিয়ে অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো করা হয়েছে। সেখানে চাঁদপুরগামী সাঁকোর বাঁ দিকে কোনওক্রমে পড়ে যায়। ওই দিকে এক বুক সমান জল হবে। কিন্তু আশ্চর্য বিষয় খুঁজে পাওয়া যায়নি। ডুবুরিদের টিম অনেক খুঁজেও পায়নি। রাত ১২ টা নাগাদ দেহ ভেসে ওঠে। এরপর কান্দি মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন শিশুটির মা। বিবাহ বিচ্ছিন্ন মায়ের কাছেই শিশুটি মামার বাড়িতে থাকত। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ঘটনায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। তবে ঘটনায় পরিবারের তরফে এদিন পর্যন্ত কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি।

Child Drowned Murshidabad গ্রামের এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, এই গ্রামে অনেকগুলি বারোয়ারি কালী প্রতিমা হয়েছে। বাড়ির পুজোও আছে। পুজো যথারীতি হয়েছে। তবে ওই ঘটনায় ম্লান হয়েছে পুজোর আনন্দ। আমরা জানতে পেরেছি সোমবার বেলা ১০ টা নাগাদ শিশুটি জলে ডুবে যায়। মাছ ধরবার খেলা খেলছিল সে। তখনই ওই ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা নদীতে স্থায়ী সাঁকোর দাবি জানিয়েছেন। নদীর ওই পারে চাঁদপুর, জাখিনা, কোল্লা সহ অনেকগুলি গ্রাম রয়েছে। নদীতে অল্প জল থাকলে তাঁদের ওইরকম সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। কারণ অল্প জলে নৌকো চলে না। ফলে ঝুঁকি নিয়েই যাতায়াত করতে হয়।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now