এখন খবরমধ্যবঙ্গ নিউজপরিবেশবিনোদনহেলথ ওয়াচখেলাঘরে বাইরেলাইফস্টাইলঅন্যান্য

Child care During Seasonal Changes আবহাওয়া বদলের সময়ে শিশুর যত্নে বিশেষ পরামর্শ বিশেষজ্ঞের

Published on: February 23, 2026
Child care During Seasonal Changes

Child care During Seasonal Changes ফাল্গুনে বইয়ে দক্ষিনের হাওয়া। শীত যাওয়ার মুখে বদলাচ্ছে আবহাওয়া। কখনও ঠাণ্ডা আবার কখনও গরম।  আর এই পরিস্থিতিতে অসুস্থতা বাড়ছে। মরশুম বদলের এই সময়ে ঘরে ঘরেও চিন্তা বাড়ছে বাড়ির খুদে সদস্যকে নিয়ে। মরশুম বদলে সর্দি, কাশি জ্বর হলে কী করবেন? কী পরামর্শ দিচ্ছেন নবজাতক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ সম্রাট গাঙ্গুলী?

Child care During Seasonal Changes  রোগ প্রতিরোধী ক্ষমতা বাড়াতে শিশুর ডায়েটে কী রাখা মাস্ট? কী কী নিয়ম মানতে হবে অভিভাবকদের?

মরশুম বদলে শিশুর যত্নে বিশেষ পরামর্শ বিশেষজ্ঞের

 

Child care During Seasonal Changes   আবহাওয়ার পরিবর্তনের সময় ঠাণ্ডা গরমের জন্য বাচ্চাদের সর্দি কাশি খুব বেশী হয়। দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে থাকে ভাইরাস। স্কুলে এবং স্কুল থেকে বাড়ি এলে ছোট বাচ্চাদেরও হতে শুরু করছে। অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে উপায় কী?  নবজাতক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ সম্রাট গাঙ্গুলী জানান ,   কৃত্তিম কিছু নেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর। স্বাভাবিক নিয়মে মানুষের একটা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আছে। সেটা এত বছর ধরে মানুষ যে খাবার খেয়েছে, এত বছর ধরে মানুষ যেভাবে জীবন বেঁচেছে তা থেকেই আসে। নিয়ম করে সবজি খাওয়া, নিয়ম করে ভাল মাছ বা মাংস খাওয়া এবং নিয়ম করে সময় মতো স্নান করা, ঠাণ্ডা হাওয়াতে না যাওয়া, বাচ্চাকে ঢেকে দিলাম তাতে বাচ্চা ঘেমেনেয়ে গেল এইরকম খুব সাধারন বুদ্ধি খাটিয়ে যা তাতে রোগ প্রতিরোধ বজায় থাকে। আলাদা করে ওষুধ দিয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে না। আলাদা করে কোন বিশেষ খাবার বা বিশেষ বাজারযাত দ্রব্য কিনে খাওয়ালে বাচ্চার রোগ প্রতিরোধ বাড়ে না। মানুষ যা করে এসেছে তাই করতে হবে। সাধারন বুদ্ধিতে করতে হবে তাতেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় থাকবে।

Child care During Seasonal Changes ঠাণ্ডা , গরমে পেটের সমস্যাও দেখা দিচ্ছে শিশুদের মধ্যে? ছড়াচ্ছে ভাইরাল ডায়রিয়া। কতটা চিন্তার? এক্ষেত্রে কী করনীয়?

Child care During Seasonal Changes চিকিৎসক জানান, মূলত ভাইরাসঘটিত রোগ এগুলো। ডায়েরিয়াতে আসল চিকিৎসা ওআরএস। ঠিক করে ওআরএস এর জল দিতে হবে। WHO ORS সেটা লেখা থাকতে হবে। অনেকসময় দেখা যায় যে ওআরএস গুলো হেলথ ড্রিঙ্কের মতো কিন্তু সেরকম হলে হবে না। এটাতে WHO ORS লেখা থাকাটা জরুরি। একটাই মাপের ওআরএস দেওয়াই ভাল। হয় ১ লিটার জলে গুলে বা ২০০ এমএল জলে গুলে দিতে হবে, কারন মাপ এদিক ওদিক হলে অসুবিধা হবে। এর বাইরে জিঙ্ক দিতে হয়। ১৪ দিন খাওয়াতে হয়। জিঙ্ক দেওয়াটা জরুরি। এছাড়া জলে মতো পাতলা পায়খানা করলে অ্যান্টিবায়োটিক লাগে না, ডাক্তার দেখিয়ে নিতে হবে। ডাক্তার যদি মনে করেন অ্যান্টিবায়োটিক লাগবে তবেই অ্যান্টিবায়োটিক দিতে হবে। বাজার থেকে কিনে দেওয়ার দরকার নেই। খাবারের ক্ষেত্রে বাড়ির খাবার খাবে, যে কদিন পাতলা পায়খানা হচ্ছে গরুর দুধ, দুধের জিনিস বন্ধ রাখতে হবে। জ্বর, সর্দি পায়খানা একসাথেও হতে পারে। চোখ লাল হয়ে চোখে পিচুটি কাটতেও পারে। সবই ভাইরাস ঘটিত রোগ। এগুলো সাধারন ওষুধেই কমে যায়, তার স ঙ্গে স্বাভাবিক শিশুর যত্ন , সময়মতো খাওয়ানো, সময় মতো গা মুছিয়ে দেওয়া এই করলেই চলে।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now