এখন খবরমধ্যবঙ্গ নিউজপরিবেশবিনোদনহেলথ ওয়াচখেলাঘরে বাইরেলাইফস্টাইলঅন্যান্য

Central Hospital for Beedi Workers ধুঁকছে তারাপুর হাসপাতাল, কেন্দ্র-রাজ্যের দিকে দায় ঠেললেন সাংসদ

Published on: October 15, 2025
Central Hospital for Beedi Workers

Central Hospital for Beedi Workers ৩০ একর জায়গা জুড়ে থাকা হাসপাতাল ক্যাম্পাস আজ জঙ্গলে ভরা। গা ছম ছমে পরিবেশ। ঘটছে চুরির ঘটনা। মুর্শিদাবাদের সামসেরগঞ্জে বেহাল অবস্থায় থাকা কেন্দ্রের সর্ববৃহৎ তারাপুর বিড়ি হাসপাতালের কেন এই দশা? দায় কার? প্রশ্নের উত্তর চান বিড়ি শ্রমিকরা। এদিকে হাসপাতাল নিয়ে এবার সরব মালদা দক্ষিনের কংগ্রেস সাংসদ ঈশা খান চৌধুরী। বুধবার দুপুরে স্থানীয় নেতৃত্বদের নিয়ে হাসপাতালের বর্তমান অবস্থা ঘুরে দেখলেন। বিড়ি শ্রমিকদের জন্য এই হাসপাতালে দুরাবস্থা কাটছে না কেন? প্রশ্নের উত্তরে সাংসদের কী প্রতিক্রিয়া?

Central Hospital for Beedi Workers তারাপুর হাসপাতালে ঈশা খান চৌধুরী

তারাপুর হাসপাতাল ঘুরে দেখেন ঈশা খান চৌধুরী

আরও পড়ুন- 

Murshidabad Health এবার দুয়ারে হাসপাতাল! বহরমপুরে দাবি স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যানের

 

Central Hospital for Beedi Workers মুর্শিদাবাদ জেলা প্রশাসনের কাছে কী দাবি সাংসদের?

Central Hospital for Beedi Workers সাংসদ ঈশা খান চৌধুরী বলেন, ” ইউ এস জি অপারেটর নেই, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নেই। আরও চিকিৎসক, নার্স প্রয়োজন। অর্ধেক স্বাস্থ্য কর্মী নিয়ে চলছে। কোন গার্ড নেই। যন্ত্রপাতি চুরি হয়ে গেছে। কোন নিরাপত্তা নেই। জল নিকাশি ব্যবস্থা নেই। চিকিৎসক, নার্সদের আবাসনের দুরাবস্থা। হাসপাতালে এসে অসুস্থ হয়ে যাবে মানুষ। মুর্শিদাবাদের জেলা শাসক ও সামসেরগঞ্জের বিডিঅ-র কাছে দাবি- নিকাশি ব্যবস্থার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করতে হবে। কেন্দ্রের গাফিলতি আছে। কেন্দ্র সরকার এবং লেবার দপ্তরকে দ্রুত  এই হাসপাতালকে সংস্কার করতে হবে।”

Central Hospital for Beedi Workers  ২০০৩ সালে চালু হওয়া হাসপাতাল আজ জরাজীর্ণ

Central Hospital for Beedi Workers বিড়ি শ্রমিকদের জন্য রাজ্য সরকারের নেই কোন নির্দিষ্ট হাসপাতাল। লক্ষ লক্ষ শ্রমিক চিকিৎসা নিয়ে সমস্যায়। যে হাসপাতাল কয়েক লক্ষ বিড়ি শ্রমিকের ভরসা ছিল সেই হাসাপাতালের হাল বেহাল। মুর্শিদাবাদ জেলার প্রায় ১৭ লক্ষ বিড়ি শ্রমিক , এছাড়াও পাশ্ববর্তী জেলার বিড়ি শ্রমিকদের স্বাস্থ্যের হাল ফেরাতে ২০০০ সালে উদ্বোধন হয়েছিল এই হাসপাতালের। সেই সময় ৫০ বেডের হাসপাতাল চালু হলেও ২০০৩ সালে ১৫ বেড বাড়িয়ে করা হয় ৬৫ বেড। কিন্তু আজ ঠিক যেন ভুতুড়ে বিল্ডিং। গজিয়ে উঠেছে জঙ্গল। তারাপুর বিড়ি হাসপাতালের বেহাল দশা কি কাটবে? রাজনৈতিক সংঘাত ভুলে পরিষেবা চান বিড়ি শ্রমিকরা।

 

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now