Berhampore কেউ দৃষ্টিহীন, কেউ হাঁটাচলায় অক্ষম। শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে দূরে ঠেলে প্রত্যেকেই এলেন বহরমপুরের রাজপথে। এলেন নিজেদের বেঁচে থাকার স্বার্থে। অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে অংশ নিতে। বৃষ্টি ভেজা শহরে বিশেষ ভাবে সক্ষমরা জোট বেঁধে দিলেন হুঁশিয়ারিও। বৃহস্পতিবার দুপুরে বহরমপুরের রাস্তায় লড়াই , সংগ্রামের ডাক। এই হুঁশিয়ারি বিশেষ ভাবে চাহিদা সম্পন্ন মানুষদের। বৃষ্টি ভেজা দুপুরে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদে গর্জে উঠল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রতিবন্ধী সম্মিলনী মুর্শিদাবাদ জেলা কমিটি। জেলা শাসকের কাছে গণডেপুটেশন ও সমাবেশ কর্মসূচির শুরুতে সমবায়িকা মোড়ে হয় সমাবেশ। নেতৃত্ব দিলেন পঃবঃ রাজ্য প্রতিবন্ধী সম্মিলনীর সাধারণ সম্পাদক কান্তি গাঙ্গুলী। তিনি বলেন, ‘লড়াই, সংগ্রামের ভেতর দিয়েই দাবী আদায় করতে হবে। সেই পথেই আমরা রাস্তায় নেমেছি। চল্লিশ বছর আগে জন্ম নেয় এই প্রতিবন্ধী সংগঠন। আন্দোলন, সংগ্রামের ভেতর দিয়েই কিছু দাবী আমরা আদায় করতে পেরেছি। সব দাবী আমরা আদায় করতে পারিনি। আগে প্রতিবন্ধী ভাই, বোনদের লোকে তাচ্ছিল্য, ঘৃণা করত। আজকে সরকার বা দেশের মানুষ এদের অন্ধ, কানা, খোঁড়া বলে ডাকে না। বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন অথবা প্রতিবন্ধী বলে ডাকে। এই সম্বোধন টুকু আদায় করতে পেরেছি। সবার জন্য আইন আছে, প্রতিবন্ধীদের জন্যও আইন চাই। আমাদের দেশে ১২ কোটি প্রতিবন্ধী মানুষ।
Berhampore মুর্শিদাবাদ জেলার ২৬ টি ব্লক থেকে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন বহু মানুষ একগুচ্ছ দাবি নিয়ে পথে নামলেন আবারও। বিক্ষোভ সমাবেশে দাবী ওঠে প্রতিবন্ধী ভাতা মাসিক পাঁচ হাজার টাকার, পাশাপাশি ২০১৬ সালের RPD Act THE RIGHTS OF PERSONS WITH DISABILITIES ACT, 2016 কে মান্যতা দেওয়ার দাবী প্রতিবন্ধী সংগঠনের। পঃবঃ রাজ্য প্রতিবন্ধী সম্মিলনীর সহ সম্পাদক রণ দাস বলেন, ‘ ভারত সরকার ২০১৬ সালে RPD Act আইন করেছে। এই আইনে প্রতিবন্ধীদের সমস্ত অধিকার দেওয়া আছে, এই আইন্তি পশ্চিমবঙ্গে কার্যকরী হচ্ছে না। জেলা প্রশাসন, রাজ্য প্রশাসন যাতে কার্যকর করে তার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দ্যেশ্যে স্মারকলিপি নিয়ে এসেছি। ‘ সমাবেশের পর মিছিল হয় শহর জুড়ে। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জেলা শাসকের অফিসের সামনে জমায়েত হয়। দেওয়া হয় ডেপুটেশন।