Berhampore মঙ্গলবার সকালে আচমকাই কড়া নিরাপত্তার বলয়ে মুড়ে ফেলা হল বহরমপুর জেলা দেওয়ানী ও দায়রা আদালত চত্বর। আনা হল স্নিফার ডগ। মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে জায়গায় জায়গায় করা হল তল্লাশি। গোটা আদালত চত্বরে শোরগোল। তড়িঘড়ি নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটসাঁট করা হল কেন?
Berhampore মুর্শিদাবাদ জেলা জজ কোর্টে পুলিশ কুকুর দিয়ে তল্লাশি কেন?
Berhampore সরকারি আইনজীবী Public Prosecutor কল্পতরু ঘোষ বলেন, “কিছুদিন আগে মহামান্য Supreme Court সুপ্রিম কোর্টের আদেশে নির্বাচন কমিশনের যে এসআইআর চলছে, ডিসট্রিক্ট জজ এবং অ্যাডিশনাল ডিসট্রিক্ট জজদের এসআইআর এর ভেরিফিকেশন করার জন্য নিয়োগ করেছে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে গত কয়েক দিন আগে ডিএম অফিসে বিচারকদের বৈঠকও হয়েছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল থেকে দেখেছি ডিসট্রিক্ট জজ এর এজলাসে প্রশাসনিক সমস্ত তৎপরতায় বিচারকদের এসআইআর এর কাজে নিযুক্ত করা হয়েছে। আজকে হঠাৎ কোর্টে এসে বিচার প্রক্রিয়ার সঙ্গে যখন যুক্ত হতে যাচ্ছি তখন দেখলাম, যে একটা ভুয়ো ইমেল এসেছে। সেখানে বলা হচ্ছে যে জজ কোর্টে প্রচুর বোমা রাখা আছে, যখন তখন বোমা মেরে উড়িয়ে দেব! ভুয়ো হলেও পুলিশ প্রশাসন তৎপরতার সাথে, জেলার যিনি পুলিশ প্রশাসনের হেড জেলা সুপার, ডগ স্কোয়াড টিম তড়িঘড়ি জজকোর্টে স্নিফার ডগ নিয়ে এসে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি করেছে। এখনও নিশ্চিত যে কোন জায়গায় কোন বোমা পাওয়া যায়নি। যদিও এটা খুব আতঙ্কের বিষয়, এটা কখনোই বাঞ্ছনীয় নয়।”

Berhampore উড়ো ইমেল এ ছড়ায় আতঙ্ক! তড়িঘড়ি তল্লাশি অভিযানে প্রশাসন
Berhampore বহরমপুর বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবু বাক্কার সিদ্দিকী বলেন, “আমরা আশঙ্কা করছি যে এসআইআর এ জজদের নিযুক্ত করা হয়েছে। সেই কারণেই তারা যাতে সঠিকভাবে, সঠিক কাজটা করতে না পারেন এইজন্যে এইধরনের আতঙ্কের সৃষ্টি করা হয়েছে। ভারতবর্ষের একমাত্র জায়গা, নিরপেক্ষ জায়গা সেটা হচ্ছে বিচার ব্যবস্থা। সেই বিচার ব্যবস্থার ওপর যদি কোনরকম হুমকি আসে সেই বিচারকরা কাজ করতে পারবেন না, তাহলে মানুষ বিচারটা কোথায় পাবেন।”
Berhampore উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সকালে রাজ্য জুড়ে একাধিক জেলা জজ আদালতে উড়ো মেল পেন বিচারকরা। তালিকায় কলকাতা থেকে পশ্চিম বর্ধমান জেলা ও দায়রা জজ আদালত, চুঁচুড়া থেকে ব্যাঙ্কশাল কোর্ট, সর্বত্র উড়ো মেল ঘিরে আতঙ্ক শুরু হয়। সর্বত্র পুলিশকুকুর নিয়ে তল্লাশি চলে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর বিচারকদের বড় অংশই এখন ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআরের কাজে ব্যস্ত। তার সঙ্গে এই উড়ো মেলের কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।














