Berhampore বহরমপুর শহরের প্রাণকেন্দ্র ব্যারাক স্কোয়ার ময়দানে ৫ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে ৪৫ তম মুর্শিদাবাদ জেলা বইমেলা। বইমেলার উদ্বোধন করেছেন রাজ্যের গণশিক্ষা প্রসার ও গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। বইমেলার উদ্বোধনের দিনেই বিতর্ক দানা বাঁধে উদ্বোধনী পর্বে আমন্ত্রিতদের তালিকা নিয়ে। অভিযোগে সরব হয় বিজেপি। অভিযোগ, তালিকায় বাদ বহরমপুরের বিজেপি বিধায়ক সুব্রত মৈত্রের নাম! কেন ব্রাত্য বিজেপি ? প্রশ্নের উত্তরে সরব হন মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী Siddiqullah Chowdhury। দিলেন ব্যাখ্যা। করলেন তীব্র সমালোচনা।
Berhampore মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী বলেন, “যাদের নাম নেই তাদের মধ্যে একটা হল বিজেপি। বিজেপি সব সময় ট্যারা ট্যারা কথা বলে। বিধানসভায় কোনসময় ভালো মুখে কথা বলতে শুনিনি। ৯৬ টি প্রকল্প, একটা বিজেপির নেতা বলেছে যে এই প্রকল্প ভালো! এই সুবিধা বাড়ির দিদিমা, কাকিমা, ছাত্র ছাত্রী সবাই উপভোগ করছে। সবাই উপভোক্তা, মুখে বলছে না। আমরা ডাকব! তেঁতো কথা বললে আমাদের ১২ টা বাজবে না, পরিবেশটা দূষিত হবে।”

আরও পড়ুন- Berhampore News স্কুলে স্কুলে বিক্ষোভের পর ডিআই অফিস অভিযান SFI, AIDSO-র
Berhampore থেমে নেই বিজেপিও। মন্ত্রীর মন্তব্যের পাল্টা মুখ খোলেন বহরমপুরের বিজেপি বিধায়ক সুব্রত মৈত্র। পরিবেশ দূষিত করছে কে? পাল্টা প্রশ্ন ছুঁড়লেন বিজেপি বিধায়ক সুব্রত মৈত্র। তাঁর কটাক্ষ, ” পশ্চিমবঙ্গে গণতন্ত্র নয় একনায়কতন্ত্র চলছে। সেই একনায়কতন্ত্রের নায়িকা কোনদিনই কোন জায়গায় বিজেপির বিধায়কদের ডাকেন না। পুরোপুরি নির্দেশ দেওয়া আছে যে কোন সরকারি অনুষ্ঠানে, প্রশাসনিক মিটিং এ কোন উন্নয়ন প্রকল্পে বিজেপির বিধায়কদের ডাকবেন না। পরিবেশ দূষিত কারা করছে? যার মুখ থেকে এই কথা শুনেছেন সে কী করেছে উল্টে দেখে নেবেন। আমরা ব্রাত্য থাকবই। কোন উন্নয়নমূলক প্রোগ্রামে আমাদের ডাকে না।”
Berhampore অভিযোগ পাল্টা অভিযোগে তৃনমূল– বিজেপি তরজা তুঙ্গে।












