Berhampore Khadi Mela ঠান্ডায় এই সময় আর্দ্রতার কারণে ত্বক শুষ্ক হতে শুরু করেছে। এ জন্যে গ্লিসারিন সাবান মাখতে বলেন অনেকে। আবার বাজার চলতি সাবান ক্ষারের কারণে মাখতে চান না অনেকে। তাঁদের জন্যে বহরমপুরে (Berhampore) খাদি (Khadi) মেলায় ক্ষারহীন ভেষজ গ্লিসারিন সাবান হাতছানি দিচ্ছে। বিক্রেতা বলছিলেন, এখানকার জিনিসে কোনও ভেজাল নেই। তুলাই পাঞ্জি চাল থেকে, পোস্তর বড়ি, মুসুরের বড়ির জন্যে তাঁর স্টলে আনাগোনা লেগেই আছে। কেও কিনছেন গুঁড়ো হলুদ। এক কিশোর তো হজমির গুলির খোঁজ শুরু করে। মালদার আমস্বত্ত্ব থেকে নানা রকমের রান্নার মসলা, চাটনি, ঘি। হরেকরকমের জিনিসের সম্ভার দর্শক টানছে।
আরও পড়ুনঃ Humayun Kabir ৬ ডিসেম্বর হুমায়ুন কবিরের টার্গেট ২ লক্ষ !
Berhampore Khadi Mela বিক্রেতা বলছিলেন ভেষজ, খাঁটি জিনিসের জন্যে খাদির এই সব পণ্যের চাহিদা আছে। পরিবেশ বান্ধব হওয়ায় খাদির জিনিস ক্রেতা টানছে।
আবার নগরের কাছে মারগ্রাম থেকে সিল্কের স্টলে তসরের জরি শোভা পাচ্ছে। সেখানেই খদ্দরের চাদর সবার উপরে বিছানো। দাম বাজারের তুলনায় অনেক কম। আবার গরমও বেশি। মাত্র ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে খদ্দরের চাদর। অন্য চাদরও রয়েছে সেখানে। জামা, পাঞ্জাবি থেকে অন্যান্য শীত পোশাকও।
Berhampore Khadi Mela পোড়া মাটির জিনিস সবচেয়ে বেশী বিক্রি হচ্ছে এবারের মেলায়। দামে সস্তা। রেখে দেওয়ার জন্যে এর চাহিদা আছে। বলছিলেন বিক্রেতা প্রবীর পাল। অপারেশন হয়েছে কথা বলতে পারছেন না। তবু মেলার টানে ব্যারাক স্কোয়ারে খাদি মেলায় চলে এসেছেন। তাঁর কাছে ৬৮০ টাকা শুরু দামের মেটাল ফটো ফ্রেমেরও চাহিদা ভালোই। মাদুর বিক্রেতা প্রবীণ কানাইলাল সরকার বলছিলেন, দুদিন ভালো বিক্রি হয়েছে, তবে কাল-পরশু হয়নি। তিনি জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত মাদুর শিল্পী। বোঝালেন, এখনও পর্যন্ত মোটামুটি বিক্রি হচ্ছে।
Berhampore Khadi Mela গত ২৬ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে মেলা। আগামী ১০ তারিখ পর্যন্ত এই মেলা চলবে। এবার মেলায় জল ছিটিয়ে ধুলো শুকনো করা, রোলার দিয়ে উঁচু নীচু সমান করার মতো হরেক আয়োজন। মেলা চলাকালীনই প্রতিদিন যেন নতুন করে সাজানো হচ্ছে। রবিবার প্রথম ছুটির দিন। বিকেলে মেলায় গিয়ে দেখা গেল মাঠ সমান করার জন্যে রোলার চলছে। গেটে সেলফি তুলছে কচি কাঁচারা। কেও এসেছে বাবার কোলে, কেও মায়ের হাত ধরে। গেটের বাইরে আকস্মিকভাবে দুপাশ ঘিরে দেওয়া হচ্ছে। কেন? এক কর্মী বললেন, আমাদের কাছে নির্দেশ এসেছে।
Berhampore Khadi Mela ফুচকা বিক্রেতা সুভাষ ভট্টাচার্য জানান, তাঁর বাবা বহরমপুর শহরে ফুচকার পত্তন করেন। তিনি ব্যারাক স্কোয়ারের বাইরে স্টল দিয়েছেন। মোটামুটি বিক্রি চলছে। ১০ টাকায় চারটে ফুচকা বিক্রি করছেন। তবে স্পেশ্যাল আইটেম রয়েছে দই ফুচকা ৪০ টাকায়। কথা হতে হতে এক কিশোর দওই ফুচকার অর্ডার করল।















