Berhampore Girls’ College স্কুল, কলেজে পড়ার বদলে কেন হচ্ছে অসময়ে বিয়ে ? কেন বাড়ছে মুর্শিদাবাদ জেলায় বাল্য বিবাহ? কারণ কী? প্রতিরোধ করা যাবে কীভাবে? একেবারে গোঁড়া থেকে সামাজিক ব্যাধিকে নির্মূল করতে কোমর বেঁধে নামল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ব্যবসায়িক সংগঠন। বহরমপুর গার্লস কলেজ মহিলা সেলের আয়োজনে, মুর্শিদাবাদ ডিসট্রিক্ট চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সহযোগিতায় এবং লালগোলা কলেজের সহযোগে শুক্রবার গার্লস কলেজের কনফারেন্স হলে হল বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ নিয়ে বিশেষ সচেতনতামূলক শিবির।

Berhampore Girls’ College শুধু কলেজের ছাত্রীরাই নন, একাধিক স্কুলের পড়ুয়াও আলোচনায় অংশ নিলেন। বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনায় ছাত্রীদের মনোবল বাড়ালেন কলেজের অধ্যক্ষা থেকে মহিলা পুলিশ আধিকারিক, মহিলা আইনজীবী থেকে শিক্ষক, অধ্যাপক, জেলা চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের প্রতিনিধিরা।
Berhampore Girls’ College আর্থ-সামাজিক অবস্থা থেকে শিক্ষার অভাবই কি কুপ্রথার জন্য দায়ী? তাহলে বাঁচার উপায় কী?
Berhampore Girls’ College বহরমপুর গার্লস কলেজের অধ্যক্ষা ডঃ হেনা সিনহা জানান, একজন ছাত্রী বা একজন অল্প বয়সী মেয়েকে শিক্ষার জগতে এনে তাঁকে পরিপূর্ণভাবে প্রশিক্ষিত করলে, পরবর্তীকালে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর উপায়ের ব্যবস্থা করে দিলে সে কিন্তু নিজের ঐ সময়টাকে অতিবাহিত করতে পারবে সুন্দর ভাবে। সুশিক্ষিত একজন ছাত্রী নিজের জীবনের সিদ্ধান্ত নিতে পারবে এবং এই ধরনের কুপ্রথাকে সে কখনোই প্রশ্রয় দেবে না।

Berhampore Girls’ College মুর্শিদাবাদকে বাল্য বিবাহ মুক্ত জেলা গড়ার অঙ্গীকার। এই অঙ্গীকার পূরণ হবে কোন পথে? প্রতিরোধের ক্ষেত্রে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া জরুরী বলে মনে করছে মুর্শিদাবাদ ডিসট্রিক্ট চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ?
Berhampore Girls’ College মুর্শিদাবাদ ডিসট্রিক্ট চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সাধারন সম্পাদক স্বপন কুমার ভট্টাচার্য জানান, মুর্শিদাবাদ জেলাকে বাল্য বিবাহ মুক্ত জেলা গড়তে অঙ্গীকারবদ্ধ জেলা প্রশাসন। বিভিন্ন সংগঠনও এগিয়ে এসেছে। স্কুল, কলেজে হচ্ছে সেমিনার। ঠিক সেই অঙ্গীকার নিয়েই আজকে গার্লস কলেজে সেমিনার হল। উদ্দ্যেশ্য একটাই- ১৮ বছরের আগে নাবালিকা বিয়ে যেন কোনভাবেই না হয়, সে বিষয়ে মানুষকে সচেতন করা।









