মধ্যবঙ্গ ডিজিটাল ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। নির্বাচনের আগে জেলায় একের পর এক জনসভা করে রাজনৈতিক বার্তা জোরালো করতে মাঠে নেমেছেন আসাদউদ্দিন ওয়াইসি (Asaduddin Owaisi)। রঘুনাথগঞ্জের পর এবার কান্দির হিজল এলাকায় সভা করে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে শাসক ও বিরোধী দুই পক্ষকেই নিশানা করলেন তিনি।
গত ১লা এপ্রিল নওদায় প্রথমবারের মতো সভা করেছিলেন ওয়াইসি। সেই সভা থেকেই তিনি হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে জোটবদ্ধভাবে লড়াইয়ের বার্তা দেন। ফলে মুর্শিদাবাদের রাজনৈতিক মহলে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত মিলেছিল। কিন্তু মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে সেই সমীকরণে বড় পরিবর্তন এসেছে।
এরই মধ্যে তৃণমূলের (All India Trinamool Congress) পক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি বিতর্কিত ভিডিও ঘিরে হুমায়ুন কবিরকে নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়। সেই ভিডিও সামনে আসার পরই AIMIM জোট থেকে সরে দাঁড়ায় বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়। যদিও এই ইস্যুতে সরাসরি তীব্র প্রতিক্রিয়া এদিনের সভা থেকে দেননি ওয়াইসি।
আরও পড়ুন: হুমায়ুনের হাত ছাড়লেন ওয়েইসি । দায়ী ভিডিও…
বরং কান্দির সভা থেকে তাঁর আক্রমণের মূল লক্ষ্য ছিল তৃণমূল কংগ্রেস। বিশেষ করে কান্দির বিদায়ী বিধায়ক ও তৃণমূল প্রার্থী অপূর্ব সরকার (Apurba Sarkar)-কে সরাসরি নিশানা করেন তিনি। পাশাপাশি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধেও একাধিক ইস্যুতে সমালোচনার সুর শোনা যায়।
শুধু রাজ্য রাজনীতিই নয়, কেন্দ্রীয় সরকারকেও এদিন ছাড় দেননি ওয়াইসি। প্রধানমন্ত্রীর নীতির বিরুদ্ধেও সরব হন তিনি। ফলে একদিকে রাজ্য সরকার, অন্যদিকে কেন্দ্র দুই পক্ষকেই আক্রমণ করে নিজের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করার চেষ্টা করেন AIMIM প্রধান।
আরও পড়ুন: নববর্ষে মিষ্টিমুখ, ডায়াবেটিসে ভয় নেই! রইল সহজ গাইডলাইন…
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মুর্শিদাবাদে AIMIM নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করতে চাইছে। জোট ভাঙার পরও আক্রমণাত্মক প্রচার চালিয়ে গিয়ে তারা ভোটের ময়দানে নিজেদের প্রভাব বজায় রাখতে চাইছে। এখন দেখার, এই কৌশল নির্বাচনের ফলাফলে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে।







