Adhir Chowdhury ”মুখ্যমন্ত্রী এখন দেখছেন হাওয়া খারাপ। সংখ্যালঘু মানুষ পাশ থেকে পালাচ্ছেন। আবার সেই এনআরসি, আবার ডিটেনশন ক্যাম্পের নাম করে তাঁদেরকে ধরে রাখার চেষ্টা। বারবার ঘুঘুতে তো ধান খায় না।”-মঙ্গলবার এক সাংবাদিক বৈঠকে এই ভাষাতেই রাজ্যের শাসকদলকে বিঁধলেন কংগ্রেসের (Congress) ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য অধীর চৌধুরী (Adhir Chowdhury)। বিধানসভা ভোট এগিয়ে আসছে। ততই উত্তেজনার পারদ চড়ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যে বিগত ১৫ বছরের উন্নয়নের পাঁচালি প্রকাশ করেছেন। তারপরে তিনি সফর করেছেন দুই সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জেলা মুর্শিদাবাদ, মালদা। এদিকে, তাঁর বহরমপুর সফরের দিন তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হয়েছেন হুমায়ুন। এরপর বাবরি মসজিদের শিলান্যাসের ঘিরে হুমায়ুনের গুরুত্ব ক্রমশ বাড়ছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, ফলে তৃণমূলের অন্যতম প্রধান ভোট ব্যাঙ্ক সংখ্যালঘু ভোট ব্যাঙ্কের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। তবে অধীর কোন প্রেক্ষিতে এই মন্তব্য করেছেন তা অবশ্য ব্যাখ্যা করেননি তিনি।
আরও পড়ুনঃ Adhir Chowdhury ‘সবকিছুকে বিকৃত করা চলবে না’ – কেন বললেন অধীর চৌধুরী?
Adhir Chowdhury রাজ্য থেকে তৃণমূলের ১২ টা বেজে গিয়েছে।
Adhir Chowdhury এদিন অধীর চৌধুরী নাম না করে হুমায়ুন প্রসঙ্গে বলেন, তাঁর দলের পরিচয় কী, ভাবনা কী সেটা তো বুঝতে পারছি না। যাকেই তাঁর প্রয়োজন তাঁকেই সে সাহায্য করবে। এটা যদি তাঁর একটি মানসিকতা হয় তাহলে বিজেপি পার্টি খুশি হবে। তৃণমূলের কী হবে জানি না। হুমায়ুন কবির বলেছেন, যে মুখ্যমন্ত্রী হবে আমাকে না নিয়ে পারবেন না। সেই বিষয়ে অধীর বলেন, কী হবে বলতে পারব না। আমরা জ্যোতিষী নই। তবে রাজ্য থেকে তৃণমূলের ১২ টা বেজে গিয়েছে।
Adhir Chowdhury এসআইআর নিয়ে কংগ্রেস নেতা বলেন, এর আগেও এসআইআর হয়েছে। এখনও এসআইআর হচ্ছে। ভারতবাসী টের পাননি। এখন এসআইআর হচ্ছে। সর্বত্র সাজো সাজো রব। এটা নির্বাচনের কোনও মরশুম হতে পারে না। নির্বাচন মানে গণতন্ত্রের উৎসব। সেই উৎসবের আগে এই অনিশ্চয়তা কখনও সুস্থ নির্বাচনের জন্যে কাম্য হতে পারে না।
Adhir Chowdhury বিএলও-দের উভয়মুখী চাপ
Adhir Chowdhury এদিকে, অধীর আরও বলেন, বিএলও-দের উভয়মুখী চাপ। কেন্দ্রীয় সরকারের চাপ। এদিক ওদিক করলে তোমার চাকরি যাবে। রাজ্যের চাপ হচ্ছে, যা বলব তার ভোটার লিস্টে নাম তুলতে হবে। বিএলও-রা পড়েছে এই জটিল পরিস্থিতিতে। রাজ্যের তরফ থেকে বলা হচ্ছে যা বলব তাই করতে হবে। মরা দেখানো যাবে না। নির্বাচন কমিশন বলছে আইনের বাইরে কাজ হলে তোমাদের কেস হবে। কাজের ভারের অসুবিধা আছে ঠিকই। এর পাশে ভয় থেকে বাঁচতে বিপদ থেকে বাঁচতে এটা একটি অজুহাতও বটে। তারা রাজ্য সরকারের অধীনে কর্মচারী। রাজ্য যদি মনে করে তাদের বিরুদ্ধে বদলা নেবে তাহলে তারা কোথায় যাবে?
Adhir Chowdhury বঙ্কিমচন্দ্র ইস্যুতেও সরব হয়েছেন অধীর। তিনি বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী ‘বঙ্কিমদা’ বলছেন। যেন মনে হচ্ছে তিনি তাঁর পার্টির ক্যাডার। কম করে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র বলতে পারতেন। এভাবে অপমান কেন? যা বলতে জানেন না বলবেন না। জেনেশুনে বলবেন। বন্দেমাতরম প্রথম রচিত হয়েছিল মুর্শিদাবাদের লালগোলায়। এখনও সেই মন্দির আছে।















