Adhir Chowdhury হুমায়ুন কবীরের বাবরি মসজিদের জন্য উপচে পড়া দানপাত্র, টাকার পাহাড়। ট্রাঙ্ক, বস্তায় জড়ো করা দানের টাকা গুনতে আনা হয় মেশিন। মুর্শিদাবাদে রেজিনগরে হুমায়ুন কবীরের Humayun Kabir উদ্যোগে মসজিদ শিলান্যাসের পর থেকেই এই ছবি সামনে এসেছে। তুঙ্গে উঠেছে রাজনৈতিক তরজাও। এদিকে এই টাকা নিয়েই কটাক্ষ ছুড়েছে বিজেপি। ‘ তৃনমূল কংগ্রেসের টাকা! দাবি করেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।
Adhir Chowdhury ‘বিজেপির কাছে শিক্ষা নিয়ে এই পশ্চিমবঙ্গে বিভাজনের রাজনীতি করেছে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী’ মন্তব্য অধীর চৌধুরী
আরও পড়ুন- AIMIM Joining: হুমায়ুন আবেগ, তৃণমূল ছেড়ে মিমে যোগদান?
Adhir Chowdhury এই প্রসঙ্গেই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বহরমপুরের প্রাক্তন সাংসদ অধীর চৌধুরী Adhir Chowdhury । মঙ্গলবার বহরমপুরে সাংবাদিক বৈঠকে অধীর চৌধুরী বলেন, “মাথায় করে ইট নিয়ে যারা ওখানে এসেছে তারা মনে করেছে আমরা ধর্মীয় দায়িত্ব পালন করছি। তারা কোন নাটক করতে আসেনি” । অধীর চৌধুরী আরও বলেন, “সারা ভারতবর্ষে সাম্প্রদায়িক বিভাজনের রাজনীতি করেছে বিজেপি। বিজেপির কাছে শিক্ষা নিয়ে বাংলায় বিভাজনের রাজনীতি করছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । দিদি আর মোদীর এখানে অদ্ভুত রকমের মিল। সারা ভারতবর্ষে সাম্প্রদায়িক বিভাজনের রাজনীতি করেছে বিজেপি। আজ থেকে নয়! ১০০ বছর ধরে। আর বিজেপির কাছে শিক্ষা নিয়ে এই পশ্চিমবঙ্গে বিভাজনের রাজনীতি করেছে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।”

আরও পড়ুন– Humayun Kabir: লাইভ দেখেছেন, কত কোটি উঠল বাবরি মসজিদের জন্যে?
Adhir Chowdhury অধীর চৌধুরী আরও বলেন, ” কীসের টাকা ওই নিয়ে আমাদের মাথা ব্যাথা নেই। বহু ধর্মপ্রাণ মানুষ এটার সঙ্গে জড়িত হয়েছেন, ধর্মীয় আবেগ বহু বড় কাজ করেছে। মাথায় ইট নিয়ে এমনি এমনি কেউ যায় না। তাদের মনে হয়েছে এটা একটা ধর্মীয় কাজ করছি, তাই তারা গেছে। কিন্তু তার আড়ালে সামনে ধর্মের আচ্ছাদন রেখে কে কী করবে সেটা আজ নয় ভবিষ্যৎ তার প্রমাণ দেবে। এখন আগবাড়িয়ে সেটা বলার তো সময় আসেনি। কিন্তু মানুষ চাঁদা দিয়েছে, কেউ ১০০ টাকা কেউ ২০০ টাকা। এটা কোন লুটের টাকা নয়! মেহনতের টাকা তারা দিয়েছে। তারা মনে করেছে আমরা ধর্মীয় দায়িত্ব পালন করছি। তারা মনে করেছে আমরা ‘ফর্য আদা’ করছি। তাই তারা দিয়েছে।
Adhir Chowdhury বিজেপি, তৃনমূলকে কী বার্তা অধীরের?
Adhir Chowdhury অধীর এদিন বলেন, ” সবকিছুকে বিকৃত করা চলবে না। মাথায় করে ইট নিয়ে যারা ওখানে এসেছে তারা মনে করেছে আমরা ধর্মীয় দায়িত্ব পালন করছি। তারা কোন নাটক করতে আসেনি। তাদের সামনে রেখে কে নাটক করে সেটা বাংলার মানুষ দেখেছে। মমতা ব্যানার্জি তার সবচেয়ে উজ্জ্বল উদাহরণ। হিজাব পরে নাটক, চণ্ডীপাঠ করে নাটক, বাংলার মানুষ দেখে নিয়েছে। যারা প্রকৃত ধর্মপ্রাণ তাদের আবেগ নিয়ে কখনও বাজে কথা বলতে নেই। বিজেপিকেও বলব, টিএমসিকেও বলব, সবাইকেই বলব।”












