Adhir Chowdhury নির্বাচনী ময়দানে সব রাজনৈতিক দল। কিন্তু এখনও স্পষ্ট নয় ভোটার লিস্টের ছবি। এর মাঝেই সোমবার মধ্যরাতে বিবেচনাধীন ভোটারদের মধ্যে নিষ্পত্তি হওয়া অতিরিক্ত প্রথম তালিকা প্রকাশ্যে এনেছে কমিশন Election Commission । রাজ্যের প্রতিটি বুথের জন্য দু’টি করে পৃথক তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। নিষ্পত্তির পরে কাদের নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় জুড়ল, একটিতে তার উল্লেখ রয়েছে। মুর্শিদাবাদ জেলায় বিচারাধীন তালিকায় ছিলেন প্রায় ১১ লক্ষ ভোটার। তাঁদের ভবিষ্যৎ কী ? এখনও স্পষ্ট নয়। এর মাঝেই বহরমপুরের প্রাক্তন সাংসদ অধীর চৌধুরীর গলায় শোনা গেল ভোট পিছিয়ে দেওয়ার দাবি। নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করলেন অধীর।
Adhir Chowdhury demands কী দাবী অধীরের ?
Adhir Chowdhury মঙ্গলবার বহরমপুরে সাংবাদিক সম্মেলনে অধীর চৌধুরী বলেছেন, “ যতক্ষণ না প্রত্যেকটা বৈধ ভোটারের নাম নথিভুক্ত হবে ততক্ষণ পর্যন্ত ভোট না হওয়ায় বাঞ্ছনীয় বলে আমি মনে করি। কারণ ফ্রি আর ফেয়ার ইলেকশন তখনই হয় যখন ফ্রি আর ফেয়ার ইলেক্টোরাল রোল তৈরি হয়। অবাদ নির্বাচন তখনই সম্ভব আইনত যখন অবাধ নির্বাচনের ভোটার তালিকা তৈরি হয়। ভোটার তালিকা আংশিক, ভোটার তালিকা পরিপূর্ন নয়, সেখানে নির্বাচন কী করে হবে ? হওয়া উচিৎ নয় বলে আমি মনে করি। পিছিয়ে দেওয়া হোক নির্বাচন। মানুষের ভোট দেওয়ার অধিকারই যদি না থাকে তাহলে সেই নির্বাচনের মানে কী” ।
আরও পড়ুনঃ Murshidabad SIR সাপ্লিমেন্টারি লিস্টে নাম উঠল জাকির, বাইরনের। স্বস্তি
অধীর আরও বলেছেন, “ সব কিছু হচ্ছে কিন্তু নির্বাচন কী হচ্ছে ? নির্বাচনের দিন তারিখ তৈরি হয়ে গেল কিন্তু ভোটারলিস্ট এখনও প্রকাশিত হল না। এটার মানে কী আছে। মানুষের এই নির্বাচন কমিশনের প্রতি আস্থা হারিয়ে গেছে। মানুষ কোন ভরসায় করতে পারছে না। যারা নির্বাচন করানোর অভিভাবক তাদের প্রতিই যদি মানুষের আস্থা না থাকে তাহলে সেই নির্বাচনের কী মূল্য থাকে” ।
Adhir Chowdhury এসআইআরের সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশ নিয়ে অধীর চৌধুরী বলেন, “ ট্রাইব্যুনাল হবে না কী হবে জানি না আমি। এই সমস্ত যা ঘটা দেখতে পাচ্ছি, তাতে ভোট আদৌ কখন হবে তা নিয়ে আমার দুশ্চিন্তা বাড়ছে। যা সব পরিস্থিতির জন্ম হয়েছে বৈধ ভোটার যদি ভোট দিতে না পারে নির্বাচন কমিশনের গাফিলতিতে। কেন্দ্র নির্বাচন কমিশন, রাজ্যের এই সংঘাতে। কে দায়ী , কে অদায়ী সেটা বড় কথা নয়, বড় কথা হচ্ছে ভারতের বৈধ ভোটারদের ভোট দেওয়ার অধিকারটা যদি সুরক্ষিত না হয় তাহলে নির্বাচন করার কী মানে আমার জানা নেই” । এদিন ফের মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে অধীর বলেছেন, “ সেই নির্বাচনে অংশগ্রহনের কী মানে তাও জানা নেই। তাই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে বলব হয় আপনি সুপ্রিম কোর্টে জান না হয় ভোট বয়কটের ডাক দিন”।









