প্রশান্ত শর্মাঃ২৫ নভেম্বরঃ রাত পোহালেই ধর্মঘট। এখনও কাটেনি অতিমারী। করোনা নিয়ে নাজেহাল মানুষ। এর মাঝেই একুশের নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করে ফেলেছে সব রাজনৈতিক দল। ‘জোট’ থেকে বিহার নির্বাচন, শুভেন্দু অধিকারী থেকে প্রশান্ত কিশোর ; বাংলার গদি থাকবে কার দখলে ? জোর চর্চা রাজনৈতিক মহলে।
নির্বাচনের প্রেক্ষিতে ২৬ এর ধর্মঘটের দিকে নজর তাই সব পক্ষের । বাম কংগ্রেস শিবিরের কাছে ধর্মঘটের প্রধানত দু’টি চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এক, নিজেদের শক্তিপরীক্ষা ; দুই, ভোটের আগে বাম কংগ্রেস জোট কতোটা ঐক্যবদ্ধ সেটা মানুষের সামনে তুলে ধরা । ঐক্যবদ্ধ মিটিং মিছিলের পাশপাশি রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধেও সুর চড়াচ্ছেন দুই দলের নেতারাই।
ধর্মঘটের বিরোধিতা করলেও ধর্মঘটকে বিফল করতে তৃণমূল কংগ্রেস পথে নামবে কিনা তা এখনও স্পষ্ট করেননি তৃণমূল নেতৃত্ব। অন্যদিকে বাম শিবির ধর্মঘটের প্রস্তুতি চালাচ্ছে মুর্শিদাবাদ জুড়েই।
ধর্মঘটের প্রস্তুতিতি ব্লকে ব্লকে মিছিল করছে সিপিআই(এম)। দলের ৪২ টি এরিয়া কমিটিতেই হয়েছে মিছিল। সিপিআই(এম)’র মুর্শিদাবাদ জেলা কমিটির সম্পাদক নৃপেন চৌধুরীর অবশ্য দাবি, ধর্মঘটের দাবি মানুষের মধ্যে প্রচারের জন্যই এতো মিটিং মিছিল করা হচ্ছে। তবে এর সাথেই তিনি স্পষ্টই বলছেন, আগামীদিনে দেশজুড়ে বিজেপি এবং রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসকে পরাস্ত করার জন্য মানুষকে সচেতন করছে দলের মিছিলগুলি।
ধর্মঘটকে সমর্থন করেছে কংগ্রেসও। ‘বাম কংগ্রেস মিলেই বন্ধ হবে’, আশাবাদী মুর্শিদাবাদ জেলা কংগ্রেসের মুখপাত্র জয়ন্ত দাস । আগামী দিনে রাজ্যের নির্দেশ মতো যৌথ আন্দোলন নিয়েও আশাবাদী তিনি।
মঙ্গলবারই বহরমপুর শহরে মিছিল করে দুই দলের শ্রমিক সংগঠন।
তবে, জোট নিয়ে এখনও অস্বস্তি আছে দুই শিবিরে। এখনও প্রতিটি এলাকায় একসাথে মিটিং মিছিল করেনি বাম কংগ্রেস। ধর্মঘটের সমর্থনে নিজের দলের ক্ষমতাতেই জেলায় বিভিন্ন মিছিল করেছে সিপিআই(এম)। এই সুযোগে নিজেদের কর্মীদের সংগঠিত করারও পরিকল্পনা চলছে বাম শিবিরে ।
তবে ধর্মঘট কেন ? সেই দাবি কি আদৌ জানতে পারছেন মানুষ ? থাকছে প্রশ্ন।
শক্তিপরীক্ষাই মুখ্য হয়ে ওঠায় আড়ালে চলে যাচ্ছে পোস্টারের দাবি।
শক্তিপরীক্ষার ধর্মঘট !
Published on: November 25, 2020















