এখন খবরমধ্যবঙ্গ নিউজপরিবেশবিনোদনহেলথ ওয়াচখেলাঘরে বাইরেলাইফস্টাইলঅন্যান্য

মাদ্রাসা পরীক্ষার প্রথমদিন হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে পরীক্ষা দিলেন দুই মাদ্রাসা পরীক্ষার্থী

Published on: February 23, 2023

মধ্যবঙ্গ নিউজডেস্ক, জঙ্গীপুরঃ হাজী কলিমুদ্দিন ডক্টর নিজামুদ্দিন হাইমাদ্রাসার এক পরীক্ষার্থী শর্মিলা খাতুন পরীক্ষা দিতে আসার আগে হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়ে বৃহস্পতিবার। জরুরীকালিন পরিস্থিতিতে তাকে জঙ্গীপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলে জানান ওই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক সালাউদ্দিন শেখ। তিনি বলেন, “ মাথা ঘুরছে বলে ওই ছাত্রীকে আজ সকালেই হাসপাতালে ভর্তি করে বাড়ির লোকজন। সেই হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে এদিন বাংলা পরীক্ষা দিয়েছে শর্মিলা।”

একইভাবে ভবানীপুর বরকোতিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার এক ছাত্রী রানু খাতুন গতকাল অসুস্থ অবস্থায় জঙ্গীপুর হাসপাতালে ভর্তি হয়। বৃহস্পতিবার সেও পরীক্ষা দিয়েছে হাসপাতালে শুয়ে। সে খবর জানান ওই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক ইসমাইল হক। তিনি বলেন, “ গতকাল থেকে ওই ছাত্রী অসুস্থ অবস্থায় জঙ্গিপুর হাসপাতালে ভর্তি হয়। তাই হাসপাতালে পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ভালভাবেই পরীক্ষা দিয়েছে।”

madrasa
বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র উপদেষ্টা কমিটির সদস্যরা সরেজমিনে ঘুরে দেখেছেন বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্র

মাধ্যমিকের পাশাপাশি বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে হাইমাদ্রাসা পরীক্ষাও। ওইদিন একইসঙ্গে শুরু হয়েছে আলিম, ফাজিলের পরীক্ষাও। চলতি বছর এই তিন পরীক্ষায় মুর্শিদাবাদ জেলায় মোট পরীক্ষার্থী ১৩ হাজার ৯১৬ জন। তারমধ্যে ৯ হাজার ৪১৯ জন ছাত্রী বাকি ৪ হাজার ৪৯৪ জন ছাত্র। জেলার ৯৮টি মাদ্রাসা স্কুলে এই পরীক্ষা হচ্ছে ৩৬টি পরীক্ষা কেন্দ্রে। গত বছর এই তিন পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল  ১৯ হাজার ৫৬৫ জন। মাদ্রাসা পরীক্ষায় ছিল ১৫ হাজার ৪৭৮ জন। তারমধ্যে ৪ হাজার ৭৮৩ জন ছাত্র ও ১০ হাজার ৬৯৫ জন ছাত্রী ছিল। সারা রাজ্যের মধ্যে মুর্শিদাবাদে বরাবর মাদ্রাসা পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি থাকে। কিন্তু এবার পরীক্ষার্থী কেন কমছে তাই নিয়ে জেলা শিক্ষা প্রশাসনে চলছে জোর আলোচনা। একাংশের মত করোনাকালে বহু পড়ুয়া স্কুল ছুট হয়েছে। তাদেরকে ফিরিয়ে আনা যায় নি বলেই পরীক্ষার্থী কমেছে মাদ্রাসার মত পরীক্ষায়। আবার পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা বোর্ডের জেলা উপদেষ্টা কমিটির সদস্য মামুন আলবেরুণী বলেন, “ এই বছর যাঁরা মাদ্রাসা পরীক্ষা দিচ্ছে বয়সজনিত কারণে তারা পঞ্চম শ্রেণিতে ভর্তি কম হয়েছিল। ফলে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কম মনে হচ্ছে।” আজ বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র অ্যাডভাইসারি কমিটির সদস্যরা সরেজমিনে ঘুরে দেখেছেন বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্র। মামুন অলবিরুণী বলেন, “ সব জায়গায় প্রথম দিন সুস্থভাবে পরীক্ষা হয়েছে। কোথাও কোনও সমস্যা হয় নি।”

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now