এখন খবরমধ্যবঙ্গ নিউজপরিবেশবিনোদনহেলথ ওয়াচখেলাঘরে বাইরেলাইফস্টাইলঅন্যান্য

নেতারা এলেও বহরমপুরে এই পুকুর কিছুতেই ভরাট হতে দেবেন না গ্রামের মানুষ

Published on: May 17, 2023

নিজস্ব সংবাদদাতা, বহরমপুরঃ বহরমপুরের হাতিনগর মিল্কি পাড়া এলাকায় পুকুর ভরাট রুখতে এককাট্টা হয়েছেন গ্রামের মানুষ  । অভিযোগ,  মঙ্গলবার সকালে বহরমপুরের হাতিনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের মিল্কি পাড়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে থাকা একটি পুকুর ভরাট করতে যান কংগ্রেস নেতা হিরু হালদার । পুকুর ভরাট রুখতে গ্রামবাসীরাই এগিয়ে আসেন। ঘটনাস্থলে যান জলাভূমি রক্ষা কমিটির সদস্যরাও। সবাই একসাথে রুখে দাঁড়ানোয় পুকুর ভরাটের কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এরপর এলাকা থেকে চলে যান কংগ্রেস নেতা। নিয়ে যাওয়া হয় মাটি কাটার জেসিবি মেশিনও। এরপরই পুকুর বাঁচাতে সন্ধ্যায় এলাকার বাসিন্দাদের নিয়ে বৈঠক করে জলাভূমি রক্ষা কমিটি । তাঁরা স্থানীয়দের সাথে কথা বলেন এবং পুকুর বাঁচাতে কী কী  করনীয় তা নিয়ে আলোচনা করেন। স্থানীয় বাসিন্দা সুপ্রিয়া সরকার, রাধা দাসরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে এই পুকুর ব্যবহার করছেন গ্রামের মানুষ। সকলেই  চাইছেন পুকুর পুকুরের জায়গায় থাকুক। গ্রামবাসীরা বলছেন, নেতারা এলেও এই পুকুর ভরাট করতে দেবেন না তারা।  এই ঘটনায় আসরে নামে হাতিনগর গ্রাম  পঞ্চায়েতও । পুকুর বাঁচানোর  দাবী তোলেন পঞ্চায়েত প্রধান কবিতা সরকার । পুকুর বাঁচাতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাসও দেন তিনি।

যদিও এই ঘটনা নিয়ে কংগ্রেস নেতা  হিরু হালদার দাবী করেন জমির অধিকাংশই ভিটে  জমি, শুধুমাত্র ২৮.৩০ শতক পুকুর রয়েছে। এদিন তিনি পুকুর সংস্কার করতে গিয়েছিলেন। প্রশাসন চাইলে তদন্ত করে দেখতে পারে। গ্রামের জল নিকাশি ব্যবস্থা নির্ভর করে মিল্কি পাড়ার এই পুকুরের উপর। পুকুর বাঁচাতে আগামী দিনে বহরমপুর থানা, বিএলআরও, জেলা শাসক ও বিডিওকে লিখিত ভাবে আবেদন করা হবে বলে জানাচ্ছেন গ্রামবাসীরা। ইতমধ্যেই সে আবেদনের প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছেন তাঁরা। তবে বুধবার থেকে পুকুর ভরাট করতে আসতে  দেখা যায়নি কাউকেই। পুকুর যে অবস্থাতে ছিল সেই অবস্থাতেই রয়েছে।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now